ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, সবকটি নদী এখনও বিপৎসীমার নিচে

উজানের ঢল ও সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের প্রভাবে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জেলার ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বাড়লেও এখনো সবকটি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তবে ধরলা নদীর তালুক শিমুলবাড়ী পয়েন্ট এবং তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানি সামান্য কমেছে।
রবিবার (২১ জুন) সকাল ৯টায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদ-নদীর পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি সকাল ৬টায় ছিল ২৪ দশমিক ২ মিটার। তিন ঘণ্টার ব্যবধানে পানি বেড়ে সকাল ৯টায় ২৪ দশমিক ৫ মিটারে পৌঁছেছে।
এ পয়েন্টে নদীর বিপৎসীমা ২৬ দশমিক ৫ মিটার। একই সময়ে জেলার ওপর দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ধরলা নদীর তালুক শিমুলবাড়ী পয়েন্টে পানির উচ্চতা সামান্য হ্রাস পেয়েছে। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ২৯ দশমিক ৭৮ মিটার, যা সকাল ৯টায় কমে ২৯ দশমিক ৭৫ মিটারে নেমে এসেছে। এখানে নদীর বিপৎসীমা নির্ধারিত রয়েছে ৩০ দশমিক ৮৭ মিটারে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, উজানের বৃষ্টিপাত ও ঢলের কারণে নদ-নদীর পানি ওঠানামা করছে। তবে বর্তমানে বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

কুড়িগ্রামে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, সবকটি নদী এখনও বিপৎসীমার নিচে

আপডেট সময় : ০২:৫৯:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

উজানের ঢল ও সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের প্রভাবে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জেলার ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বাড়লেও এখনো সবকটি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তবে ধরলা নদীর তালুক শিমুলবাড়ী পয়েন্ট এবং তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানি সামান্য কমেছে।
রবিবার (২১ জুন) সকাল ৯টায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদ-নদীর পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি সকাল ৬টায় ছিল ২৪ দশমিক ২ মিটার। তিন ঘণ্টার ব্যবধানে পানি বেড়ে সকাল ৯টায় ২৪ দশমিক ৫ মিটারে পৌঁছেছে।
এ পয়েন্টে নদীর বিপৎসীমা ২৬ দশমিক ৫ মিটার। একই সময়ে জেলার ওপর দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ধরলা নদীর তালুক শিমুলবাড়ী পয়েন্টে পানির উচ্চতা সামান্য হ্রাস পেয়েছে। সকাল ৬টায় এ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ২৯ দশমিক ৭৮ মিটার, যা সকাল ৯টায় কমে ২৯ দশমিক ৭৫ মিটারে নেমে এসেছে। এখানে নদীর বিপৎসীমা নির্ধারিত রয়েছে ৩০ দশমিক ৮৭ মিটারে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, উজানের বৃষ্টিপাত ও ঢলের কারণে নদ-নদীর পানি ওঠানামা করছে। তবে বর্তমানে বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।