ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর তীরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভয়াবহ ধস, নদীগর্ভে দেবে যাচ্ছে সিসি ব্লক

 

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সারডোব গ্রামে ধরলা নদীর তীরে নির্মিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের একটি বড় অংশে ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে। প্রায় ৪০০ মিটার দীর্ঘ বাঁধটির অন্তত ৩০ মিটার অংশে একের পর এক সিসি (কংক্রিট) ব্লক নদীর পানির নিচে দেবে যাচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর তীব্র স্রোত ও অব্যাহত ভাঙনের কারণে বাঁধের নিচের মাটি সরে যাওয়ায় সিসি ব্লকগুলো ধসে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে বাঁধটির আরও বড় অংশ ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, এই বাঁধটি সারডোবসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষকে নদীভাঙন ও বন্যার কবল থেকে সুরক্ষা দিয়ে আসছে। বর্তমানে বাঁধের একাংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় যেকোনো সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

স্থানীয়রা অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার এবং নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর তীরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভয়াবহ ধস, নদীগর্ভে দেবে যাচ্ছে সিসি ব্লক

আপডেট সময় : ১১:১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

 

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সারডোব গ্রামে ধরলা নদীর তীরে নির্মিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের একটি বড় অংশে ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে। প্রায় ৪০০ মিটার দীর্ঘ বাঁধটির অন্তত ৩০ মিটার অংশে একের পর এক সিসি (কংক্রিট) ব্লক নদীর পানির নিচে দেবে যাচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর তীব্র স্রোত ও অব্যাহত ভাঙনের কারণে বাঁধের নিচের মাটি সরে যাওয়ায় সিসি ব্লকগুলো ধসে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে বাঁধটির আরও বড় অংশ ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, এই বাঁধটি সারডোবসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষকে নদীভাঙন ও বন্যার কবল থেকে সুরক্ষা দিয়ে আসছে। বর্তমানে বাঁধের একাংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় যেকোনো সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

স্থানীয়রা অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার এবং নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।