১ মে ২০২৬/ শুক্রবার কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে জামাই আক্তারুজ্জামান রুবেল-কে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান দুই আসামিকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নিহতের স্ত্রী জেসমিন খাতুন ও শ্যালক মিজানুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে র্যাব-১৩, রংপুর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নিহত রুবেল ভূরুঙ্গামারী উপজেলা উপজেলার বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল তরফদার-এর ছেলে। প্রায় পাঁচ বছর আগে জেসমিন খাতুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল।
জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল সকালে পারিবারিক বিরোধের জেরে জেসমিন খাতুন বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে রুবেল শ্বশুরবাড়িতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় স্ত্রী, শ্যালক এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে।
স্থানীয়রা আহত রুবেলকে উদ্ধার করে প্রথমে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ এপ্রিল রাতে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ২৫ এপ্রিল নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা-এ হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে।
পরে গত ২৯ এপ্রিল বিকেলে র্যাব-১৩ ও র্যাব-১ উত্তরা-এর যৌথ অভিযানে গাজীপুর জেলার বাসন থানার কলম্বিয়া রোড এলাকার একটি বাড়ি থেকে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার আসামিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




















