ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালীগঞ্জে গড়ে উঠেছে অভিনব আয়নাঘর বা টর্চারসেল

 

তথ্যসূত্রে জানা যায়,

আওয়ামী দোসর হিসাবে পরিচিত আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তি এলাকায় সুদ ব্যবসায়ী, মাদক কারবারী ও ক্যাসিনো এজেন্ট নামে পরিচিত,যিনি নিজ বাড়ীতে বানিয়েছে টর্চার সেল বা আয়নাঘর।
শুনতে অবাক লাগলেও খোদ লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় গড়ে উঠেছে আয়নাঘর।
যে তার বিপক্ষে যাবেই তাকেই সে আয়নাঘরে টর্চার করবে।সম্প্রতি হিমন নামে এক ব্যবসায়ী ও গনমাধ্যমকর্মী তার কথার অবাধ্য হওয়ায় সে তার উপর অমানবিক ও পৈসাচিক নির্যাতন করে তার আয়নাঘরে,বর্তমান সে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।।এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সাথে রয়েছে দীর্ঘ মনোমালিন্য। অন্তবর্তীকালীন ইউনুস সরকারেী সময় সেনাবাহিনীর হাতে উত্তম মাধ্যম খাওয়ার পর কিছুদিন চুপ ছিলো।এই আব্দুর রাজ্জাক একজন বেপরোয়া মানুষ।বর্তমানে তার নামপ চলছে কয়েকটি মামলা।তার এলাকায় খোজ নিলে এলাকাবাসী বলেন,আমরা অতিষ্ট হয়ে গেছি আব্দুর রাজ্জাক এর অত্যাচারে।যদি সে না সুধরায় তাহলে জনগন তার বাড়ীতে কি করবে সেটা কেউ জানেনা,আমাদের এলাকা একটা সুনাম আছে আমরা শান্তিপ্রিয় কিন্তু তার আয়নাঘর কোনোভাবে আমরা মেনে নিবোনা।এ বিষয়ে আব্দুর রাজ্জাকের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি।ভুক্তভোগী হিমন বলেন আমি খুব অসুস্থ একটু সুস্থ হলেই আইনগত ব্যবস্থা নিবো।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

কালীগঞ্জে গড়ে উঠেছে অভিনব আয়নাঘর বা টর্চারসেল

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

 

তথ্যসূত্রে জানা যায়,

আওয়ামী দোসর হিসাবে পরিচিত আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তি এলাকায় সুদ ব্যবসায়ী, মাদক কারবারী ও ক্যাসিনো এজেন্ট নামে পরিচিত,যিনি নিজ বাড়ীতে বানিয়েছে টর্চার সেল বা আয়নাঘর।
শুনতে অবাক লাগলেও খোদ লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় গড়ে উঠেছে আয়নাঘর।
যে তার বিপক্ষে যাবেই তাকেই সে আয়নাঘরে টর্চার করবে।সম্প্রতি হিমন নামে এক ব্যবসায়ী ও গনমাধ্যমকর্মী তার কথার অবাধ্য হওয়ায় সে তার উপর অমানবিক ও পৈসাচিক নির্যাতন করে তার আয়নাঘরে,বর্তমান সে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।।এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সাথে রয়েছে দীর্ঘ মনোমালিন্য। অন্তবর্তীকালীন ইউনুস সরকারেী সময় সেনাবাহিনীর হাতে উত্তম মাধ্যম খাওয়ার পর কিছুদিন চুপ ছিলো।এই আব্দুর রাজ্জাক একজন বেপরোয়া মানুষ।বর্তমানে তার নামপ চলছে কয়েকটি মামলা।তার এলাকায় খোজ নিলে এলাকাবাসী বলেন,আমরা অতিষ্ট হয়ে গেছি আব্দুর রাজ্জাক এর অত্যাচারে।যদি সে না সুধরায় তাহলে জনগন তার বাড়ীতে কি করবে সেটা কেউ জানেনা,আমাদের এলাকা একটা সুনাম আছে আমরা শান্তিপ্রিয় কিন্তু তার আয়নাঘর কোনোভাবে আমরা মেনে নিবোনা।এ বিষয়ে আব্দুর রাজ্জাকের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি।ভুক্তভোগী হিমন বলেন আমি খুব অসুস্থ একটু সুস্থ হলেই আইনগত ব্যবস্থা নিবো।