ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কামব্যাকের স্নায়ুশক্তিতেই আর্জেন্টিনা, স্বপ্নের ফাইনালে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা

 

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েও শেষ পর্যন্ত স্নায়ু ধরে রেখে জয় সিনিয়ে নেওয়া অসাধারণ ক্ষমতা দেখিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। সেই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ অধ্যায় যুক্ত হল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনালে। ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও মাত্র কয়েক মিনিটের ঝড়ে ২-১ গোলের অবিশ্বাস্য জয় তুলে নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মত বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে নিওলেল ইস্কালনির দল।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ৫৫ মিনিটে গোল হজম করে চাপে পড়ে আর্জেন্টিনা। খেলার ৮৪ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রাখে ইংল্যান্ডরা। তবে শেষ পনের মিনিটে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের ডি বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত সটে সমতা ফিরান।এরপর যোগ করার সময়ে লিওনেল মেসির তৈরির আসিস্ট থেকে লেউতারা মার্তিনেজ হেড থেকে বল জালে পাঠিয়ে দিয়ে জয় সূচক গোলটি করে আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোল ব্যবধানে অবিশ্বাস্য জয় এনে দেন। শেষ মুহূর্তের এই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন আবারো প্রমাণ করেছে, চাপের ম্যাচে আর্জেন্টিনা সবচেয়ে বড় শক্তি মানসিক দৃঢ়তা ও জয়ের ক্ষুদা।

নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার যাত্রা ছিল রোমান্সে ভরা। শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয়, কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা এবং এরপর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নাটকীয় কামব্যাক…..প্রতিটি ম্যাচেই দলটি আক্রমণাত্মক, অভিজ্ঞতা এবং আত্মবিশ্বাসের দারুন সমন্বয় দেখিয়েছে। কঠিন মুহূর্তে দলকে এগিয়ে নিতে অধিনায়ক মিলন মেসির নেতৃত্বে এবং সতীর্থদের লড়াকু মানসিকতা ছিল সবচেয়ে বড় সম্পদ নেপথ্যে ছিল মাস্টারমাইন্ড লিওনেল স্ক্যালোনি।

২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা বারবার দেখিয়েছে, ম্যাচ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা কখনো হার মানে না। শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার এই মানসিকতায় তাদের ফাইনালে টিকিট এনে দিয়েছে, এবারের বিশ্বকাপে একটি জ্বলন্ত উদাহরণ রাখল ডিফেন্ডিং বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। এখন শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন পূরণের তাদের সামনে শেষ বাধা স্পেন। ফুটবল প্রেমীদের তোকে এখন সেই মহরণের দিকেই।

পত্নীতলা উপজেলার আর্জেন্টিনা সমর্থকরা জানান, বর্তমান দলটি শুধু তারকা নির্ভর নয়, বরং দলীয় সমন্বয় আক্রমণ ভাগে ধারাবাহিকতা এবং চাপের মুহূর্ত স্নায়ু ধরে রাখার ক্ষমতায় তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিশেষ করে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে ম্যাচ জেতার মানসিকতা ভক্তদের আশাবাদী করে তুলছে তৎ সঙ্গে ভক্তদেরও দারুন ভাবে হার্টবিট বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর্জেন্টিনা এর পূর্বে ছয়বার বিশ্বকাপে ফাইনালে খেলেছে তারা সেমিফাইনালে কখনো হারেনি,আর্জেন্টিনা বারবার এ বিশ্বকাপে প্রমাণ করেছে তারা কখনো সহজে হার মানেনা। ফাইনালেও একই লড়াকু মানসিকতা নিয়ে মাঠে এবং শিরোপা ধরে রাখবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

কামব্যাকের স্নায়ুশক্তিতেই আর্জেন্টিনা, স্বপ্নের ফাইনালে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা

আপডেট সময় : ০৬:০৩:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

 

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েও শেষ পর্যন্ত স্নায়ু ধরে রেখে জয় সিনিয়ে নেওয়া অসাধারণ ক্ষমতা দেখিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। সেই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ অধ্যায় যুক্ত হল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনালে। ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও মাত্র কয়েক মিনিটের ঝড়ে ২-১ গোলের অবিশ্বাস্য জয় তুলে নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মত বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে নিওলেল ইস্কালনির দল।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ৫৫ মিনিটে গোল হজম করে চাপে পড়ে আর্জেন্টিনা। খেলার ৮৪ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রাখে ইংল্যান্ডরা। তবে শেষ পনের মিনিটে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের ডি বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত সটে সমতা ফিরান।এরপর যোগ করার সময়ে লিওনেল মেসির তৈরির আসিস্ট থেকে লেউতারা মার্তিনেজ হেড থেকে বল জালে পাঠিয়ে দিয়ে জয় সূচক গোলটি করে আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোল ব্যবধানে অবিশ্বাস্য জয় এনে দেন। শেষ মুহূর্তের এই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন আবারো প্রমাণ করেছে, চাপের ম্যাচে আর্জেন্টিনা সবচেয়ে বড় শক্তি মানসিক দৃঢ়তা ও জয়ের ক্ষুদা।

নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার যাত্রা ছিল রোমান্সে ভরা। শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয়, কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা এবং এরপর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নাটকীয় কামব্যাক…..প্রতিটি ম্যাচেই দলটি আক্রমণাত্মক, অভিজ্ঞতা এবং আত্মবিশ্বাসের দারুন সমন্বয় দেখিয়েছে। কঠিন মুহূর্তে দলকে এগিয়ে নিতে অধিনায়ক মিলন মেসির নেতৃত্বে এবং সতীর্থদের লড়াকু মানসিকতা ছিল সবচেয়ে বড় সম্পদ নেপথ্যে ছিল মাস্টারমাইন্ড লিওনেল স্ক্যালোনি।

২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা বারবার দেখিয়েছে, ম্যাচ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা কখনো হার মানে না। শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার এই মানসিকতায় তাদের ফাইনালে টিকিট এনে দিয়েছে, এবারের বিশ্বকাপে একটি জ্বলন্ত উদাহরণ রাখল ডিফেন্ডিং বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। এখন শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন পূরণের তাদের সামনে শেষ বাধা স্পেন। ফুটবল প্রেমীদের তোকে এখন সেই মহরণের দিকেই।

পত্নীতলা উপজেলার আর্জেন্টিনা সমর্থকরা জানান, বর্তমান দলটি শুধু তারকা নির্ভর নয়, বরং দলীয় সমন্বয় আক্রমণ ভাগে ধারাবাহিকতা এবং চাপের মুহূর্ত স্নায়ু ধরে রাখার ক্ষমতায় তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিশেষ করে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে ম্যাচ জেতার মানসিকতা ভক্তদের আশাবাদী করে তুলছে তৎ সঙ্গে ভক্তদেরও দারুন ভাবে হার্টবিট বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর্জেন্টিনা এর পূর্বে ছয়বার বিশ্বকাপে ফাইনালে খেলেছে তারা সেমিফাইনালে কখনো হারেনি,আর্জেন্টিনা বারবার এ বিশ্বকাপে প্রমাণ করেছে তারা কখনো সহজে হার মানেনা। ফাইনালেও একই লড়াকু মানসিকতা নিয়ে মাঠে এবং শিরোপা ধরে রাখবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।