বায়ু পিত্ত কফ বিকৃতি আায়ুর্বেদি শাস্ত্রে মূল ভিত্তি হচ্ছে ত্রিদোষ। ত্রিদোষ হলে
রোগের আগমন ঘটে। কাঁচা আম এই শরীরের জন্য ত্রিদোষ নাশক।
উপকারিতা
.…………….
কাঁচা আম বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়, যেমন ডাল তরি-তরকারিতে দিয়ে খাওয়া যায়। সালাত বানিয়ে খাওয়া চলে তবে কাঁচা আম বেশি খেলে ক্ষুদা কমে যায়। রক্তের দোষ ঘটলে এবং অনেক সময় জ্বর আসলে, কাঁচা আম খোসা ছেলে দিয়ে টুকরো টুকরো করে রোদে শুকিয়ে আমসি করে রাখে পরে টক মিষ্টি দিয়ে চাটনি করে খেলে জ্বর সেরে যায় ।আমচুর খেলে পেট পরিষ্কার থাকে পেট পরিষ্কার থাকে কফ ও কাশি নাশক । কাঁচা আমার সাথে চাপাকলা ও গরুর দুধ মিশিয়ে খেলে মেয়েদের প্রদর রোগ ভালো হয়। আমের আটি শাস খেলে ডায়াবেটিস কমে। কাঁচা আমের মোরব্বা বেশ উপকারী কবিরাজ এর মতে কাঁচা আম ব্যবহারে বমি, পেটের অসুখ, বুক জ্বালাপোড়া ভালো হয়,আমাশয় সারে,অর্শ রোগ উপশময় কিডনি ও মূত্র থলির পাথর বেরিয়ে যায়, কাঁচা আম মোরব্বা পাকস্থলীর কাজকে অনেক গুন বাড়িয়ে দেয়।
কাঁচা আমের পুষ্টিগুন(২০০ গ্রামে)
……………………………………
আমিষ ০.৭ গ্রাম
শ্বেতসার ১০.০১ ”
খনিজ লবণ ০.০৪ ”
চর্বি ০.০১ ”
ভিটা বি -২ ০.০১ ”
হিটা বি -১ ০.০৪ ”
ক্যালসিয়াম ১০.০০ ”
লৌহ ৫.৪০ ”
ক্যারোটিন ৯০.০০ খাদ্যশক্তি ৪৪.০০ কিঃক্যালোঃ
ভিটামিন সি প্রচুর
অপকারিতা
……………….
উপকারীর পাশাপাশি কিছু অপকারিতাও আছে, কাঁচা আম বেশি খেলে পেটে গ্যাস কষ্ঠবদ্ধতা হয়, পেট জ্বলে ও ইত্যাদি।
পত্নীতলা উপজেলা প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিনঃ- ভূমিকা 



















