পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অর্ধশতাধিক গ্রাহকের প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংকের পাখিমারা আউটলেট শাখার ক্যাশিয়ার রিয়াদুল ইসলাম ইউসুফ। এ ঘটনায় সোমবার বেলা এগারোটায় ব্যাংক ঘেরাউ করে বিক্ষোভ করেছে ভূক্তভোগী গ্রাহকরা। এময় তারা মানবন্ধন কর্মসূচিও পালন করেন। শুধু গ্রাহকই নয় বাংকের এজেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান আইয়ুব আলীর মাদার একাউন্ট থেকেও ১০ লাখ টাকা নিয়ে গেছে রিয়াদ।
ভূক্তভোগী গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, টাকা গ্রহনের পর জমাকৃত অর্থ ব্যাংকের অনলাইন সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত না করে আত্মসাৎ করেন রিয়াদ। গ্রাহকের মোবাইলে জমার বার্তা না পৌছালে সার্ভারে সমস্যা বলে তিন এড়িয়ে যান। পরে তার আত্মসাতের বিষয়ে এজেন্ট ও গ্রাহকদের নজরে আসলে সে গাঁ ঢাকা দেয়।
পাখিমারা আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক আউটলেট শাখার এজেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান আইয়ুব আলী শরীফ বলেন, প্রথমে বিদ্যূৎ গ্রাগকদের জমাকৃত টাকা আত্মসাৎ করলে পরের মাসে দ্বিগুন বিদ্যূৎ বিল আসলে বিষয়টি গ্রাহকের মুখোমুখী হলে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা প্রকাশ পায়। এরপর অন্যান্য ব্যাংকের গ্রাহকরা তাদের নিজেদের ব্যাংহিসাবের খোঁজ নিলে টাকা না থাকায় এই আত্মসাতের ঘটনা জানাযায়। বিষয়টি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং ভূক্তভোগীদের টাকা ফেরতের বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হচ্ছে বলে আইউব আলী শরীফ জানান।
এবিষয়ে পাখিমারা শাখার অপারেশন ম্যানেজার রাহাত ইসলাম টাকা আত্মসাতের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ব্যাংকে অনলাইনে যে টাকা জমা হয় আমি তার হিসাব প্রতিদিনই ক্লোজ করি। ক্যাশিয়ার রিয়াদুল কিছু কিছু গ্রাহকের টাকা অনলাইনে জমা না দিয়ে নিজে আত্মসাত করেছেন তা আমি আগে জানতাম না। এব্যাপারে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।
বর্তমানে ক্যাশিয়ার রিয়াদুল ইসলাম ইউসুফ পলাতক রয়েছেন। তিনি উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের মোস্তফাপুর গ্রামের আবদুর রহিম বাদশাহ’র পুত্র বলে জানা গেছে।
##
কলাপাড়া
২৯/০৬/২৬
সিয়াম আবদুল্লাহ,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি। 



















