ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কমলনগরে পানির ট্যাংকির নিচে ঝুঁকিপূর্ণ রুমে শ্রমিকদের বসবাস, ধসের আশঙ্কা

লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত বিশাল পানির ট্যাংকির নিচের রুমটি এখন মৃত্যুঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্যাংকির নিচের দেয়ালগুলোতে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে এবং মেঝে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন ভবন ও পানির ট্যাংকি নির্মাণের কাজ চলছে। আর পুরনো ট্যাংকির নিচের রুমটিতেই বিভিন্ন লেবাররা থাকছেন। শ্রমিকরা বলছেন, “এখানে থাকা আমাদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। আমরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।”

এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তবে এখনো ঠিকাদারি কাজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। সব দপ্তরই বিষয়টি জানে।”

এদিকে এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়রা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে শ্রমিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

কমলনগরে পানির ট্যাংকির নিচে ঝুঁকিপূর্ণ রুমে শ্রমিকদের বসবাস, ধসের আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৬:৫৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত বিশাল পানির ট্যাংকির নিচের রুমটি এখন মৃত্যুঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্যাংকির নিচের দেয়ালগুলোতে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে এবং মেঝে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন ভবন ও পানির ট্যাংকি নির্মাণের কাজ চলছে। আর পুরনো ট্যাংকির নিচের রুমটিতেই বিভিন্ন লেবাররা থাকছেন। শ্রমিকরা বলছেন, “এখানে থাকা আমাদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। আমরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।”

এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তবে এখনো ঠিকাদারি কাজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। সব দপ্তরই বিষয়টি জানে।”

এদিকে এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়রা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে শ্রমিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা।