ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওসির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কঠোর অ্যাকশন, সিএমপি থেকে প্রত্যাহার।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সদরঘাট থানায় যোগদানের মাত্র ১৭ দিনের মাথায় তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শরীফ। গণমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এবার সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সাথে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও গুরুতর অভিযোগসমূহ
গত ৫ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-২ শাখার উপসচিব নাসরীন সুলতানা স্বাক্ষরিত এক জরুরি চিঠিতে পুলিশ মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) এই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠির অনুলিপি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিনিয়র সচিবের একান্ত সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

ওসি শরীফের বিরুদ্ধে মূল যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে:

আর্থিক কেলেঙ্কারি: অবৈধ আর্থিক লেনদেন ও ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ: নিজের আয়ের উৎসের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল সম্পত্তি অর্জন।

ক্ষমতার অপব্যবহার: ব্যক্তিগত ও নির্দিষ্ট গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রশাসনিক পদের অপব্যবহার।

“অভিযোগগুলোর ব্যাপারে দ্রুত আইনানুগ পদক্ষেপ নিয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো, তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনতিবিলম্বে অবহিত করার জন্য আইজিপিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ: থানা থেকে প্রত্যাহার
মন্ত্রণালয়ের এই কঠোর অবস্থানের পরপরই রোববার (৫ জুলাই) সিএমপির ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক আদেশে ওসি মুহাম্মদ শরীফকে সদরঘাট থানা থেকে প্রত্যাহার করে সিএমপির লাইনওয়ারে (পুলিশ লাইন্স) বদলি করা হয়।

সামগ্রিক বিষয়টি নিশ্চিত করে সিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার জানান, প্রশাসনিক চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই এই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ওসির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কঠোর অ্যাকশন, সিএমপি থেকে প্রত্যাহার।

আপডেট সময় : ০৬:১২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সদরঘাট থানায় যোগদানের মাত্র ১৭ দিনের মাথায় তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শরীফ। গণমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এবার সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সাথে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও গুরুতর অভিযোগসমূহ
গত ৫ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-২ শাখার উপসচিব নাসরীন সুলতানা স্বাক্ষরিত এক জরুরি চিঠিতে পুলিশ মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) এই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠির অনুলিপি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিনিয়র সচিবের একান্ত সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

ওসি শরীফের বিরুদ্ধে মূল যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে:

আর্থিক কেলেঙ্কারি: অবৈধ আর্থিক লেনদেন ও ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ: নিজের আয়ের উৎসের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল সম্পত্তি অর্জন।

ক্ষমতার অপব্যবহার: ব্যক্তিগত ও নির্দিষ্ট গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রশাসনিক পদের অপব্যবহার।

“অভিযোগগুলোর ব্যাপারে দ্রুত আইনানুগ পদক্ষেপ নিয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো, তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনতিবিলম্বে অবহিত করার জন্য আইজিপিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ: থানা থেকে প্রত্যাহার
মন্ত্রণালয়ের এই কঠোর অবস্থানের পরপরই রোববার (৫ জুলাই) সিএমপির ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক আদেশে ওসি মুহাম্মদ শরীফকে সদরঘাট থানা থেকে প্রত্যাহার করে সিএমপির লাইনওয়ারে (পুলিশ লাইন্স) বদলি করা হয়।

সামগ্রিক বিষয়টি নিশ্চিত করে সিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার জানান, প্রশাসনিক চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই এই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।