ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওষুধের অভাবে রোগীরা বঞ্চিত, ঘাটাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নষ্টের অভিযোগ

 

 

টাকার অভাবে যেখানে সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে হিমশিম খাচ্ছেন, সেখানে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে রোগী ও স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা।
অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগী প্রয়োজনীয় ওষুধ চাইলে তাদের বলা হয়—“ওষুধ নেই, স্টক নেই, সরবরাহ নেই।” অথচ একই সময়ে হাসপাতালের মজুত থাকা কিছু ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে।
এ ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে—সাধারণ মানুষ যখন প্রয়োজনীয় ওষুধ পাচ্ছেন না, তখন সরকারি ওষুধ কীভাবে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে নষ্ট হচ্ছে?
সরকারি অর্থে কেনা এসব ওষুধ সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও বিতরণ করা হয়েছে কি না, প্রয়োজন অনুযায়ী রোগীদের মাঝে সময়মতো সরবরাহ করা হয়েছিল কি না এবং ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পেছনে কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা বা গাফিলতি রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা উচিত। পাশাপাশি সরকারি ওষুধের মজুত, সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে যাতে কোনো ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে নষ্ট না হয় এবং প্রকৃত রোগীরা বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ পান—এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ওষুধের অভাবে রোগীরা বঞ্চিত, ঘাটাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নষ্টের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:১৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

 

 

টাকার অভাবে যেখানে সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে হিমশিম খাচ্ছেন, সেখানে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে রোগী ও স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা।
অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগী প্রয়োজনীয় ওষুধ চাইলে তাদের বলা হয়—“ওষুধ নেই, স্টক নেই, সরবরাহ নেই।” অথচ একই সময়ে হাসপাতালের মজুত থাকা কিছু ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে।
এ ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে—সাধারণ মানুষ যখন প্রয়োজনীয় ওষুধ পাচ্ছেন না, তখন সরকারি ওষুধ কীভাবে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে নষ্ট হচ্ছে?
সরকারি অর্থে কেনা এসব ওষুধ সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও বিতরণ করা হয়েছে কি না, প্রয়োজন অনুযায়ী রোগীদের মাঝে সময়মতো সরবরাহ করা হয়েছিল কি না এবং ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পেছনে কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা বা গাফিলতি রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা উচিত। পাশাপাশি সরকারি ওষুধের মজুত, সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে যাতে কোনো ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে নষ্ট না হয় এবং প্রকৃত রোগীরা বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ পান—এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।