ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এবার হাইকোর্টে মামলা, অনিশ্চয়তায় ‘হেরা ফেরি ৩’

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৫৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 349

এবার হাইকোর্টে মামলা, অনিশ্চয়তায় ‘হেরা ফেরি ৩’

বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘হেরা ফেরি’ আবারও অনিশ্চয়তার মুখে। বহুল প্রতীক্ষিত ‘হেরা ফেরি ৩’ এবার জড়িয়ে পড়েছে নতুন আইনি জটিলতায়। ছবির স্বত্ব নিয়েই শুরু হয়েছে এই বিতর্ক, যার জেরে আপাতত থমকে গেছে সিনেমাটির কাজ।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রযোজক ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা সেভেন আর্টস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

এ বিষয়ে মাদ্রাজ হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন দক্ষিণী প্রযোজক জিপি বিজয়কুমার।সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে বিজয়কুমারের দাবি, ‘হেরা ফেরি’ ছবির স্বত্ব তিনি ২০২২ সালেই প্রয়াত প্রযোজক রামোজি রাও স্পিকিংয়ের কাছ থেকে বৈধভাবে কিনে নিয়েছেন।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই ছবির স্বত্ব কখনোই ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার ছিল না। ফলে সেই স্বত্ব বিক্রি করার অধিকারও তাঁর ছিল না।

বিজয়কুমার বলেন, ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার শুধুমাত্র ‘হেরা ফেরি’–এর একটি সিক্যুয়াল তৈরির অনুমতি পেয়েছিলেন, যার ফলশ্রুতিতে ২০০৬ সালে মুক্তি পায় ‘ফির হেরা ফেরি’। ওই ছবির পর ফ্র্যাঞ্চাইজির আর কোনো সিক্যুয়াল বা প্রিকুয়াল তৈরির অধিকার তাঁর ছিল না। সে ক্ষেত্রে ‘হেরা ফেরি ৩’–এর স্বত্ব বিক্রির দাবি সম্পূর্ণ বেআইনি বলেই অভিযোগ তাঁর।

এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অভিনেতা অক্ষয় কুমারও।

কারণ, এর আগে ‘হেরা ফেরি ৩’-এর স্বত্ব ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার কাছ থেকে কিনেছিল অক্ষয়ের প্রযোজনা সংস্থা। পরবর্তীতে অক্ষয়ের সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ হওয়ার পরই বিজয়কুমার এই লেনদেনের বিষয়ে অবগত হন বলে জানা গেছে।অন্যদিকে, অক্ষয় কুমারের প্রযোজনা সংস্থার দাবি—তাঁরা ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার কাছ থেকে সব ধরনের নিয়ম মেনেই ছবির স্বত্ব কিনেছেন। তবে এখানেই প্রশ্ন তুলেছে সেভেন আর্টস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

তাদের বক্তব্য, যার কাছে কোনো স্বত্বই নেই, সে কিভাবে সেই স্বত্ব বিক্রি করতে পারে?

এই আইনি টানাপোড়েনের জেরে স্বাভাবিকভাবেই প্রভাব পড়েছে ছবির নির্মাণ প্রক্রিয়ায়।

যেহেতু স্বত্ব কিনেছে অক্ষয়ের প্রযোজনা সংস্থা, তাই ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার পাশাপাশি এই জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছেন অক্ষয় কুমারও। ফলে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে ‘হেরা ফেরি ৩’–এর শুটিং।

আইনি জটিলতার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ছবিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দর্শকের বহু প্রতীক্ষিত এই কমেডি সিনেমা শেষ পর্যন্ত কবে আলোচনার বাইরে গিয়ে পর্দায় ফিরবে—সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বলিউডে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

এবার হাইকোর্টে মামলা, অনিশ্চয়তায় ‘হেরা ফেরি ৩’

আপডেট সময় : ০২:৫৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘হেরা ফেরি’ আবারও অনিশ্চয়তার মুখে। বহুল প্রতীক্ষিত ‘হেরা ফেরি ৩’ এবার জড়িয়ে পড়েছে নতুন আইনি জটিলতায়। ছবির স্বত্ব নিয়েই শুরু হয়েছে এই বিতর্ক, যার জেরে আপাতত থমকে গেছে সিনেমাটির কাজ।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রযোজক ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা সেভেন আর্টস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

এ বিষয়ে মাদ্রাজ হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন দক্ষিণী প্রযোজক জিপি বিজয়কুমার।সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে বিজয়কুমারের দাবি, ‘হেরা ফেরি’ ছবির স্বত্ব তিনি ২০২২ সালেই প্রয়াত প্রযোজক রামোজি রাও স্পিকিংয়ের কাছ থেকে বৈধভাবে কিনে নিয়েছেন।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই ছবির স্বত্ব কখনোই ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার ছিল না। ফলে সেই স্বত্ব বিক্রি করার অধিকারও তাঁর ছিল না।

বিজয়কুমার বলেন, ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার শুধুমাত্র ‘হেরা ফেরি’–এর একটি সিক্যুয়াল তৈরির অনুমতি পেয়েছিলেন, যার ফলশ্রুতিতে ২০০৬ সালে মুক্তি পায় ‘ফির হেরা ফেরি’। ওই ছবির পর ফ্র্যাঞ্চাইজির আর কোনো সিক্যুয়াল বা প্রিকুয়াল তৈরির অধিকার তাঁর ছিল না। সে ক্ষেত্রে ‘হেরা ফেরি ৩’–এর স্বত্ব বিক্রির দাবি সম্পূর্ণ বেআইনি বলেই অভিযোগ তাঁর।

এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অভিনেতা অক্ষয় কুমারও।

কারণ, এর আগে ‘হেরা ফেরি ৩’-এর স্বত্ব ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার কাছ থেকে কিনেছিল অক্ষয়ের প্রযোজনা সংস্থা। পরবর্তীতে অক্ষয়ের সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ হওয়ার পরই বিজয়কুমার এই লেনদেনের বিষয়ে অবগত হন বলে জানা গেছে।অন্যদিকে, অক্ষয় কুমারের প্রযোজনা সংস্থার দাবি—তাঁরা ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার কাছ থেকে সব ধরনের নিয়ম মেনেই ছবির স্বত্ব কিনেছেন। তবে এখানেই প্রশ্ন তুলেছে সেভেন আর্টস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

তাদের বক্তব্য, যার কাছে কোনো স্বত্বই নেই, সে কিভাবে সেই স্বত্ব বিক্রি করতে পারে?

এই আইনি টানাপোড়েনের জেরে স্বাভাবিকভাবেই প্রভাব পড়েছে ছবির নির্মাণ প্রক্রিয়ায়।

যেহেতু স্বত্ব কিনেছে অক্ষয়ের প্রযোজনা সংস্থা, তাই ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার পাশাপাশি এই জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছেন অক্ষয় কুমারও। ফলে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে ‘হেরা ফেরি ৩’–এর শুটিং।

আইনি জটিলতার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ছবিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দর্শকের বহু প্রতীক্ষিত এই কমেডি সিনেমা শেষ পর্যন্ত কবে আলোচনার বাইরে গিয়ে পর্দায় ফিরবে—সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বলিউডে।