ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এনটিআরসিএ’র সনদ যার, চাকরি তার”সব সনদধারীর নিয়োগ নিশ্চিতের জোরালো দাবি যুবদল নেতা আল-আমিন মন্ডল

এনটিআরসিএ’র সনদ যার, চাকরি তার”—এই দাবিকে সামনে রেখে এনটিআরসিএ’র নিবন্ধিত সকল সনদধারীকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জোরালো দাবি জানিয়েছেন কুড়িগ্রাম পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা যুবদলের সদস্য মোঃ আল-আমিন মন্ডল (সাধন)।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হাজারো মেধাবী প্রার্থী যোগ্যতা অর্জন করেও চাকরি থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এই বঞ্চনা শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, বরং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও মেধার যথাযথ মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও একটি বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে।
ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে উঠে আসা আল-আমিন মন্ডল (সাধন) দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও যুবদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি বর্তমানে কুড়িগ্রাম পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জেলা যুবদলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে তিনি এনটিআরসিএ’র ১২তম শিক্ষক নিবন্ধনের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের একজন সনদধারী।
তিনি অভিযোগ করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব, তদবির ও নানা অনিয়মের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে যোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফলে ১ম থেকে ১২তম ব্যাচের অসংখ্য নিবন্ধিত শিক্ষক, যারা এনটিআরসিএ’র কঠোর পরীক্ষা ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সনদ অর্জন করেছিলেন, তারা বছরের পর বছর নিয়োগবঞ্চিত থেকে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
আল-আমিন মন্ডল (সাধন) বলেন, “যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও হাজারো নিবন্ধিত শিক্ষককে কোটা বৈষম্য, সিস্টেমগত অনিয়ম এবং কৃত্রিম শিক্ষক সংকটের অজুহাতে নিয়োগ থেকে দূরে রাখা হয়েছে। এটি শুধু অন্যায় নয়, রাষ্ট্রের মূল্যবান মানবসম্পদেরও অপচয়।”
তিনি আরও বলেন, “আজ সময় এসেছে মেধা ও যোগ্যতার যথার্থ মূল্যায়নের। ‘এনটিআরসিএ’র সনদ যার, চাকরি তার’—এই নীতির বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিবন্ধিত সকল সনদধারীকে দ্রুত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এতে যেমন দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে, তেমনি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতির আলোকে দীর্ঘদিনের এই সমস্যার একটি ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী সমাধান হবে। একই সঙ্গে তিনি স্বচ্ছ, বৈষম্যহীন ও সম্পূর্ণ যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
সবশেষে কুড়িগ্রাম পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা যুবদলের সদস্য মোঃ আল-আমিন মন্ডল (সাধন) সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “হাজারো নিবন্ধিত শিক্ষক আর অপেক্ষা করতে চান না। তারা চান তাদের অর্জিত সনদের যথাযথ মূল্যায়ন এবং ন্যায্য অধিকার। মেধার সম্মান ফিরিয়ে দিতে ‘এনটিআরসিএ’র সনদ যার, চাকরি তার’ নীতির বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

এনটিআরসিএ’র সনদ যার, চাকরি তার”সব সনদধারীর নিয়োগ নিশ্চিতের জোরালো দাবি যুবদল নেতা আল-আমিন মন্ডল

আপডেট সময় : ১০:৪২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

এনটিআরসিএ’র সনদ যার, চাকরি তার”—এই দাবিকে সামনে রেখে এনটিআরসিএ’র নিবন্ধিত সকল সনদধারীকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জোরালো দাবি জানিয়েছেন কুড়িগ্রাম পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা যুবদলের সদস্য মোঃ আল-আমিন মন্ডল (সাধন)।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হাজারো মেধাবী প্রার্থী যোগ্যতা অর্জন করেও চাকরি থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এই বঞ্চনা শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, বরং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও মেধার যথাযথ মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও একটি বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে।
ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে উঠে আসা আল-আমিন মন্ডল (সাধন) দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও যুবদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি বর্তমানে কুড়িগ্রাম পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জেলা যুবদলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে তিনি এনটিআরসিএ’র ১২তম শিক্ষক নিবন্ধনের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের একজন সনদধারী।
তিনি অভিযোগ করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব, তদবির ও নানা অনিয়মের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে যোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফলে ১ম থেকে ১২তম ব্যাচের অসংখ্য নিবন্ধিত শিক্ষক, যারা এনটিআরসিএ’র কঠোর পরীক্ষা ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সনদ অর্জন করেছিলেন, তারা বছরের পর বছর নিয়োগবঞ্চিত থেকে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
আল-আমিন মন্ডল (সাধন) বলেন, “যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও হাজারো নিবন্ধিত শিক্ষককে কোটা বৈষম্য, সিস্টেমগত অনিয়ম এবং কৃত্রিম শিক্ষক সংকটের অজুহাতে নিয়োগ থেকে দূরে রাখা হয়েছে। এটি শুধু অন্যায় নয়, রাষ্ট্রের মূল্যবান মানবসম্পদেরও অপচয়।”
তিনি আরও বলেন, “আজ সময় এসেছে মেধা ও যোগ্যতার যথার্থ মূল্যায়নের। ‘এনটিআরসিএ’র সনদ যার, চাকরি তার’—এই নীতির বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিবন্ধিত সকল সনদধারীকে দ্রুত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এতে যেমন দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে, তেমনি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতির আলোকে দীর্ঘদিনের এই সমস্যার একটি ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী সমাধান হবে। একই সঙ্গে তিনি স্বচ্ছ, বৈষম্যহীন ও সম্পূর্ণ যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
সবশেষে কুড়িগ্রাম পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা যুবদলের সদস্য মোঃ আল-আমিন মন্ডল (সাধন) সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “হাজারো নিবন্ধিত শিক্ষক আর অপেক্ষা করতে চান না। তারা চান তাদের অর্জিত সনদের যথাযথ মূল্যায়ন এবং ন্যায্য অধিকার। মেধার সম্মান ফিরিয়ে দিতে ‘এনটিআরসিএ’র সনদ যার, চাকরি তার’ নীতির বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।”