যদিও উইকেটটি গেল বোলার ব্রেন্ডন ডগেটের ঝুলিতে, কিন্তু মুহূর্তটি পুরোপুরি লাবুশেনের নামে লেখা।
ডগেটের ছোট লেংথের বাউন্সার সামলাতে গিয়ে বড় শট খেলতে চাইলেও পর্যাপ্ত শক্তি জোগাতে পারেননি আর্চার। বলটি ডিপ ফাইন লেগের ফাঁকা জায়গায় ভেসে উঠলে লাবুশেন মাঝ উইকেট থেকে চোখের পলকে দৌড়ে এসে ডানদিকে ঘুরে গিয়ে পুরো দৈর্ঘ্যে ডাইভ দেন। মাটিতে পড়ার আগেই বল দখল, এমনকি পড়ে যাওয়ার পরও শক্ত গ্রিপে বল নিয়ন্ত্রণে। সব মিলিয়ে ক্যাচটি হয়ে ওঠে অ্যাশেজ ইতিহাসের সেরাগুলোর একটি।
এই উইকেটটি অস্ট্রেলিয়াকে স্বস্তি দেয়। আগের দিন জো রুট-আর্চারের ১০ম উইকেট জুটির ৬০ রানের লড়াই ম্যাচের গতি ইংল্যান্ডের দিকে টেনে নিচ্ছিল। লাবুশেনের ক্যাচে সেই চাপ কমে আসে।
ক্যাচটি এতটাই আলোচনায় উঠে এসেছে যে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তুলনা টেনেছে গ্লেন ম্যাকগ্রাথের ২০০২ অ্যাডিলেড টেস্টে মাইকেল ভনকে আউট করা দৃষ্টিনন্দন ডাইভিং ক্যাচের সঙ্গে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দু’টি ক্যাচই ঘুরছে পাশাপাশি, কোনটি সেরা, তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
অবশ্য শুধু ফিল্ডিং নয়, ব্যাট হাতেও উজ্জ্বল ছিলেন লাবুশেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে তিনি খেলেন ৬৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস, যার সুবাদে তিনি স্পর্শ করেন এক অনন্য মাইলফলক। দিবা-রাত্রির টেস্টে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১০০০ রান পূরণের কীর্তি।
ক্রীড়া ডেস্ক 

























