ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একজন পাস, ১৬ জন ফেল: বেলঘরিয়া দাখিল মাদ্রাসার ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার বেলঘরিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় ঘটেছে। ১৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মাত্র একজন পাস করেছে। অকৃতকার্য হয়েছে ১৬ জন। একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

মাদ্রাসাটিতে ১৮ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন ১৫ জন। শিক্ষার্থী অনুপাতে শিক্ষকসংখ্যা পর্যাপ্ত থাকার পরও এমন ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষা কার্যক্রম, নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও তদারকির ঘাটতিই কি এমন ফলাফলের কারণ—এ নিয়ে আলোচনা চলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত মাদ্রাসায় উপস্থিত হয় না। পড়াশোনার পরিবর্তে মোবাইল ফোন ও গেমে আসক্ত থাকার প্রবণতাও রয়েছে। পাশাপাশি সন্তানদের পড়াশোনার বিষয়ে অভিভাবকদের পর্যাপ্ত নজরদারি নেই।

মাদ্রাসার সহকারী প্রধান শিক্ষক খাইরুল ইসলাম বলেন, অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত মাদ্রাসায় আসে না। তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডেকে এনে ক্লাস করাতে হয়। এ কারণে ফলাফল খারাপ হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার সব বিভাগেই ফলাফল খারাপ হয়েছে। বেলঘরিয়া দাখিল মাদ্রাসায় মাত্র একজন শিক্ষার্থীর পাস করা দুঃখজনক। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

একজনের পাসে প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের খাতা পূর্ণ হলেও ১৬ জনের অকৃতকার্য হওয়া নিয়ে এখন জোরালোভাবে প্রশ্ন উঠেছে—এই ব্যর্থতার দায় কার

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

একজন পাস, ১৬ জন ফেল: বেলঘরিয়া দাখিল মাদ্রাসার ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার বেলঘরিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় ঘটেছে। ১৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মাত্র একজন পাস করেছে। অকৃতকার্য হয়েছে ১৬ জন। একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।

মাদ্রাসাটিতে ১৮ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন ১৫ জন। শিক্ষার্থী অনুপাতে শিক্ষকসংখ্যা পর্যাপ্ত থাকার পরও এমন ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষা কার্যক্রম, নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও তদারকির ঘাটতিই কি এমন ফলাফলের কারণ—এ নিয়ে আলোচনা চলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত মাদ্রাসায় উপস্থিত হয় না। পড়াশোনার পরিবর্তে মোবাইল ফোন ও গেমে আসক্ত থাকার প্রবণতাও রয়েছে। পাশাপাশি সন্তানদের পড়াশোনার বিষয়ে অভিভাবকদের পর্যাপ্ত নজরদারি নেই।

মাদ্রাসার সহকারী প্রধান শিক্ষক খাইরুল ইসলাম বলেন, অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত মাদ্রাসায় আসে না। তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডেকে এনে ক্লাস করাতে হয়। এ কারণে ফলাফল খারাপ হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার সব বিভাগেই ফলাফল খারাপ হয়েছে। বেলঘরিয়া দাখিল মাদ্রাসায় মাত্র একজন শিক্ষার্থীর পাস করা দুঃখজনক। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

একজনের পাসে প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের খাতা পূর্ণ হলেও ১৬ জনের অকৃতকার্য হওয়া নিয়ে এখন জোরালোভাবে প্রশ্ন উঠেছে—এই ব্যর্থতার দায় কার