ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সমিতি নামে একটি এনজিওর পরিচয়ে তিনজন কর্মকর্তা রাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের কাছ থেকে ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সঞ্চয়ের নামে টাকা সংগ্রহ করেন।
তাদের দাবি ছিল, আগে সঞ্চয় জমা রাখতে হবে। এরপর নির্ধারিত সময়ে ঋণ দেওয়া হবে। এই আশ্বাসে জগৎবেড়, মধুরাম, নাইয়াটারী, রথীপুর ও মোল্লাটারী গ্রামের মানুষের কাছ থেকে কারও কাছ থেকে ৫ হাজার, কারও কাছ থেকে ৬ হাজার, ১০ হাজার, আবার কারও কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীরা জানান, তিস্তা দালালপাড়ায় মানিক ডাক্তারের বাসা ভাড়া নিয়ে ওই এনজিওর অফিস পরিচালনা করা হচ্ছিল। গত বৃহস্পতিবার তারা বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে এবং শনিবার সকাল ১১টায় ঋণ বিতরণের কথা জানায়।
কিন্তু শনিবার নির্ধারিত সময়ে সবাই অফিসে এসে দেখেন, সেখানে কেউ নেই। অফিস খালি, আর এনজিওর কর্মকর্তারাও উধাও।
এ বিষয়ে বাসার মালিক জানান, তারা বাসা ভাড়ার টাকাও পরিশোধ না করেই চলে গেছেন। তিনি আরও বলেন, যাওয়ার আগে তিনি জানতে চাইলে তারা জানান, “আমরা অন্য এলাকায় জরিপ করতে যাচ্ছি।” এরপর থেকেই তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতারিত ব্যক্তিরা দ্রুত অভিযুক্তদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
মোঃ মিজানুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার লালমনিরহাট প্রতিনিধি 



















