ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার ভিতরের সামগ্রী চু’রি।

উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার ভিতরের সামগ্রী চু'রি।

উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের গোড়াই মাস্টার পাড়া গ্রামের মৃত আশরাফ আলী ছেলের মোঃ মিজানুর রহমানের নামে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমা চুরি হলে মোঃ মিজানুর রহমান বুঝতে পেরে অনুসন্ধানের জন্য পোলটির কাছে আসেন সেখানে আসলে আলামত হিসেবে ১০ ফিট একটি রশি, দু ফিট করে চারটি রোড, দুই ফিট একটি সিলভারের তার এবং একটি বাঁশের আগাল জাহাদারা কোটা তৈরি করে লাইন বিচ্ছিন্ন করে ফেলে রেখে ট্রান্সফরমার ভিতরে থাকা সকল সামগ্রী চুরি হয়।

মোঃ মিজানুর রহমান দ্রুত বিষয়টি অনুসন্ধানের চেষ্টা চালায় এবং একপর্যায়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির সহযোগিতায় সেই রাত্রেই চোর এবং বিদ্যুৎ সামগ্রী গুলো কেনার ভাঙ্গেরি ব্যবসায়িকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

ভাঙ্গেরি ব্যবসায়ী মোঃ রহিম মিয়া এ বিষয়ে স্বীকার করে বলেন আমি মোঃ মেহেদী হাসান(২৬)পিতা মোঃ শাহাজামাল (সিটি বাবু) কাছ থেকে ২২,হাজার টাকা দিয়ে কিনেছি এখানে আমার কোনো দোষ নেই কারণ আমি তো সেগুলো টাকা দিয়ে নিয়েছি।
মোঃ মিজানুর রহমান রহিম মিয়ার কাছে ট্রান্সফর্মার সামগ্রী গুলো দেখতে চাইলে তিনি গোপন রেখে বলেন আমি আপনাকে দেখাবো না আপনি পরে এক সময় আসেন এখন রাত অনেক হয়েছে তাই আপনি চলে যান। এরপর মিজানুর রহমান সেখান থেকে এসে দুর্গাপুর পল্লী বিদ্যুৎ সাব স্টেশনে গিয়ে ঘটনার বিবরণ চোরের নাম প্রকাশ করেন। এবং পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের কাছে আইনের সহযোগিতা চান। এদিকে লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও পাঁচ পীর অভিযোগ কেন্দ্রের সহকারী ইনচার্জ বিষয়গুলি জেনে উলিপুর থানায় একটি ডাইরি করতে বলেন। পরের দিন ২৬ শে মার্চ মিজানুর রহমান ৯৯৯, ফোন করলে দায়িত্বে থাকা প্রশাসন থানায় অভিযোগ লেখাতে বলেন। তাই মিজানুর রহমান দেরি না করে উলিপুর থানায় গিয়ে ওসিকে বিষয়টি অবগত করেন। এবং তার কাছে থাকা সকল ডকুমেন্টস দেখার পর উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাথে সাথে এস আই খাইরুল ইসলামকে বলেন চুরি যাওয়া মাল উদ্ধার সহ আসামিকে ধরে নিয়ে আসতে। তাই এস আই খাইরুল তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোড়াই যমুনা বাজারের ব্যবসায়ী রহিম মিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং তাকে তার নিজ দোকানে সামনে দেখতে পেলে তাকে ঘটনার বিষয়গুলো জিজ্ঞাসা করলে তিনি স্বীকার করেন এবং তাকে ধরে নিয়ে উলিপুর থানায় চলে আসেন।

এদিকে চুরি যাওয়া মালের সঙ্গে জড়িত ১| মোঃ মেহেদী হাসান পিতা শাহ জামাল,| মোঃ মাইদুল ইসলাম পিতা মৃত নাসির উদ্দিন,| মাল বহনকারী মিশু গাড়ির ড্রাইভার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম পিতা মৃত করিমল হোসেন।এখন পর্যন্ত কাউকে ধরতে না পারায় দুইদিন পর পাঁচ পীর বাজারে আবারও তিনটি দোকান চুরি হয় এবং ব্যবসায়ীরা থানায় অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে অনেকেই বলেন এভাবে চোরকে ধরতে না পারলে পরবর্তীতে আরও বড়ো ধরনের চুরীর ঘটনা ঘটতে পারে।

এদিকে ভাঙ্গারি মোঃ রহিম মিয়াকে আনুমানিক সকাল ১০:০০ টার ধরে নিয়ে আসলে ওই দিনেই রাত্র ১২:০০ টার সময় তাকে ছাড়িয়ে আনা হলে তা দেখে অনেকেই মন্তব্য করে বলেন টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাই আমরা এর একটা সুষ্ঠু বিচার চাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার ভিতরের সামগ্রী চু’রি।

আপডেট সময় : ১০:৩৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের গোড়াই মাস্টার পাড়া গ্রামের মৃত আশরাফ আলী ছেলের মোঃ মিজানুর রহমানের নামে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমা চুরি হলে মোঃ মিজানুর রহমান বুঝতে পেরে অনুসন্ধানের জন্য পোলটির কাছে আসেন সেখানে আসলে আলামত হিসেবে ১০ ফিট একটি রশি, দু ফিট করে চারটি রোড, দুই ফিট একটি সিলভারের তার এবং একটি বাঁশের আগাল জাহাদারা কোটা তৈরি করে লাইন বিচ্ছিন্ন করে ফেলে রেখে ট্রান্সফরমার ভিতরে থাকা সকল সামগ্রী চুরি হয়।

মোঃ মিজানুর রহমান দ্রুত বিষয়টি অনুসন্ধানের চেষ্টা চালায় এবং একপর্যায়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির সহযোগিতায় সেই রাত্রেই চোর এবং বিদ্যুৎ সামগ্রী গুলো কেনার ভাঙ্গেরি ব্যবসায়িকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

ভাঙ্গেরি ব্যবসায়ী মোঃ রহিম মিয়া এ বিষয়ে স্বীকার করে বলেন আমি মোঃ মেহেদী হাসান(২৬)পিতা মোঃ শাহাজামাল (সিটি বাবু) কাছ থেকে ২২,হাজার টাকা দিয়ে কিনেছি এখানে আমার কোনো দোষ নেই কারণ আমি তো সেগুলো টাকা দিয়ে নিয়েছি।
মোঃ মিজানুর রহমান রহিম মিয়ার কাছে ট্রান্সফর্মার সামগ্রী গুলো দেখতে চাইলে তিনি গোপন রেখে বলেন আমি আপনাকে দেখাবো না আপনি পরে এক সময় আসেন এখন রাত অনেক হয়েছে তাই আপনি চলে যান। এরপর মিজানুর রহমান সেখান থেকে এসে দুর্গাপুর পল্লী বিদ্যুৎ সাব স্টেশনে গিয়ে ঘটনার বিবরণ চোরের নাম প্রকাশ করেন। এবং পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের কাছে আইনের সহযোগিতা চান। এদিকে লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও পাঁচ পীর অভিযোগ কেন্দ্রের সহকারী ইনচার্জ বিষয়গুলি জেনে উলিপুর থানায় একটি ডাইরি করতে বলেন। পরের দিন ২৬ শে মার্চ মিজানুর রহমান ৯৯৯, ফোন করলে দায়িত্বে থাকা প্রশাসন থানায় অভিযোগ লেখাতে বলেন। তাই মিজানুর রহমান দেরি না করে উলিপুর থানায় গিয়ে ওসিকে বিষয়টি অবগত করেন। এবং তার কাছে থাকা সকল ডকুমেন্টস দেখার পর উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাথে সাথে এস আই খাইরুল ইসলামকে বলেন চুরি যাওয়া মাল উদ্ধার সহ আসামিকে ধরে নিয়ে আসতে। তাই এস আই খাইরুল তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোড়াই যমুনা বাজারের ব্যবসায়ী রহিম মিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং তাকে তার নিজ দোকানে সামনে দেখতে পেলে তাকে ঘটনার বিষয়গুলো জিজ্ঞাসা করলে তিনি স্বীকার করেন এবং তাকে ধরে নিয়ে উলিপুর থানায় চলে আসেন।

এদিকে চুরি যাওয়া মালের সঙ্গে জড়িত ১| মোঃ মেহেদী হাসান পিতা শাহ জামাল,| মোঃ মাইদুল ইসলাম পিতা মৃত নাসির উদ্দিন,| মাল বহনকারী মিশু গাড়ির ড্রাইভার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম পিতা মৃত করিমল হোসেন।এখন পর্যন্ত কাউকে ধরতে না পারায় দুইদিন পর পাঁচ পীর বাজারে আবারও তিনটি দোকান চুরি হয় এবং ব্যবসায়ীরা থানায় অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে অনেকেই বলেন এভাবে চোরকে ধরতে না পারলে পরবর্তীতে আরও বড়ো ধরনের চুরীর ঘটনা ঘটতে পারে।

এদিকে ভাঙ্গারি মোঃ রহিম মিয়াকে আনুমানিক সকাল ১০:০০ টার ধরে নিয়ে আসলে ওই দিনেই রাত্র ১২:০০ টার সময় তাকে ছাড়িয়ে আনা হলে তা দেখে অনেকেই মন্তব্য করে বলেন টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাই আমরা এর একটা সুষ্ঠু বিচার চাই।