পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় ইসমাইল শরীফ হত্যা মামলায় তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে পিরোজপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন এবং কীভাবে ইসমাইল শরীফকে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন।
সূত্র আরও জানায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে ইসমাইল শরীফকে কুড়াল দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পরে তাঁর মরদেহ হরিনপালা গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়।
এর আগে মরদেহ উদ্ধারের সময় তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন, রক্তের দাগ এবং দুই হাত বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ বিভিন্ন আলামত পরীক্ষা করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বর্তমানে মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তদন্তে পাওয়া তথ্য, জব্দ করা আলামত ও স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা আরও স্পষ্ট হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায় বিষয়গুলো আদালতে উপস্থাপন করা হবে।
মোঃ সিফাতুল্লাহ ভান্ডারিয়া উপজেলা প্রতিনিধি দৈনিক বাংলার সংবাদ 



















