ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইডেন কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে আলোচনায় বাবলি আক্তার সিমা

ইডেন কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে আলোচনায় বাবলি আক্তার সিমা

রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ইডেন মহিলা কলেজ-এ ছাত্ররাজনীতি আবারও সরব হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন পর কলেজ শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। সেই আলোচনায় সভাপতি পদপ্রত্যাশী হিসেবে উঠে এসেছে বাবলি আক্তার সিমার নাম। ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের রাজনীতিতে বাবলি আক্তার একজন পরিচিত নাম। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ইডেন মহিলা কলেজ শাখার অন্যতম শীর্ষ পদপ্রত্যাশী।

গত ১১ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ছাত্রদল মেয়াদোত্তীর্ণ ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে। এরপর প্রায় তিন মাস ধরে নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছে সংগঠনটি। জুলাই মাসে নতুন কমিটি গঠনের কার্যক্রম জোরদার হওয়ায় পদপ্রত্যাশীদের রাজনৈতিক তৎপরতাও বেড়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশের মতে, নতুন কমিটি গঠনে সাংগঠনিক দক্ষতা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, শিক্ষাজীবনে সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ—এসব বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে। এসব বিবেচনায় সভাপতি পদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বাবলি আক্তার সিমার নামও আলোচনায় রয়েছে।

ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নেত্রী হিসেবে বাবলি আক্তার সিমাকে চেনেন অনেক কর্মী-সমর্থক। রয়েছে শিক্ষার্থীদের সাথে তার যোগাযোগ। তার ছিলো রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভুমিকা। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী আন্দোলনে সামনের সারিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো তার। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নতুন নেতৃত্বে অভিজ্ঞ ও সক্রিয় নেত্রীদের মূল্যায়ন করা হলে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হতে পারে। তাই বাবলি আক্তার সিমার মত নেতৃত্ব সভাপতি পদে আসলে সংগঠন শক্তিশালী হবে। তবে সভাপতি পদে আরও কয়েকজন নেত্রীও সক্রিয়ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কাকে দায়িত্ব দেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সভাপতি পদপ্রত্যাশী বাবলি আক্তার সিমা বলেন,
“নেতৃত্ব আসমানের ফয়সালায় আসে, জমিনের ষড়যন্ত্রে নয়। নিশ্চয়ই আল্লাহই সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী। দল যদি আমার ওপর আস্থা রাখে এবং দায়িত্ব প্রদান করে, তাহলে সংগঠনের আদর্শ ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করব। পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি ও অধিকার আদায়েও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”

ইডেন মহিলা কলেজের সাধারণ কর্মী এবং সমর্থকদের একাংশের দাবি, রাজপথের লড়াকু এবং ত্যাগী নেত্রীদেরই যেন শীর্ষ নেতৃত্বে আনা হয়। তাদের মতে, বাবলি আক্তার সিমার মতো পরিচিত ও সক্রিয় মুখ যদি শীর্ষ পদ পান, তবে তা ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে আরও বেগবান করবে।
চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন কেন্দ্রীয় সংসদ ঐতিহ্যবাহী এই কলেজ শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, সব সমীকরণ মেলাবেন কে এবং কার কাঁধে ওঠে ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের নেতৃত্বের নতুন জোয়াল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইডেন মহিলা কলেজ দেশের অন্যতম বৃহৎ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়ায় এখানকার ছাত্রসংগঠনের নেতৃত্ব জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্ব বহন করে। কলেজটি ১৮৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং বর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহৎ নারী কলেজ হিসেবে পরিচিত।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ইডেন কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে আলোচনায় বাবলি আক্তার সিমা

আপডেট সময় : ০৯:১৮:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ইডেন মহিলা কলেজ-এ ছাত্ররাজনীতি আবারও সরব হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন পর কলেজ শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। সেই আলোচনায় সভাপতি পদপ্রত্যাশী হিসেবে উঠে এসেছে বাবলি আক্তার সিমার নাম। ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের রাজনীতিতে বাবলি আক্তার একজন পরিচিত নাম। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ইডেন মহিলা কলেজ শাখার অন্যতম শীর্ষ পদপ্রত্যাশী।

গত ১১ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ছাত্রদল মেয়াদোত্তীর্ণ ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে। এরপর প্রায় তিন মাস ধরে নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছে সংগঠনটি। জুলাই মাসে নতুন কমিটি গঠনের কার্যক্রম জোরদার হওয়ায় পদপ্রত্যাশীদের রাজনৈতিক তৎপরতাও বেড়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশের মতে, নতুন কমিটি গঠনে সাংগঠনিক দক্ষতা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, শিক্ষাজীবনে সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ—এসব বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে। এসব বিবেচনায় সভাপতি পদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বাবলি আক্তার সিমার নামও আলোচনায় রয়েছে।

ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নেত্রী হিসেবে বাবলি আক্তার সিমাকে চেনেন অনেক কর্মী-সমর্থক। রয়েছে শিক্ষার্থীদের সাথে তার যোগাযোগ। তার ছিলো রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভুমিকা। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী আন্দোলনে সামনের সারিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিলো তার। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নতুন নেতৃত্বে অভিজ্ঞ ও সক্রিয় নেত্রীদের মূল্যায়ন করা হলে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হতে পারে। তাই বাবলি আক্তার সিমার মত নেতৃত্ব সভাপতি পদে আসলে সংগঠন শক্তিশালী হবে। তবে সভাপতি পদে আরও কয়েকজন নেত্রীও সক্রিয়ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কাকে দায়িত্ব দেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সভাপতি পদপ্রত্যাশী বাবলি আক্তার সিমা বলেন,
“নেতৃত্ব আসমানের ফয়সালায় আসে, জমিনের ষড়যন্ত্রে নয়। নিশ্চয়ই আল্লাহই সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী। দল যদি আমার ওপর আস্থা রাখে এবং দায়িত্ব প্রদান করে, তাহলে সংগঠনের আদর্শ ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করব। পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি ও অধিকার আদায়েও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”

ইডেন মহিলা কলেজের সাধারণ কর্মী এবং সমর্থকদের একাংশের দাবি, রাজপথের লড়াকু এবং ত্যাগী নেত্রীদেরই যেন শীর্ষ নেতৃত্বে আনা হয়। তাদের মতে, বাবলি আক্তার সিমার মতো পরিচিত ও সক্রিয় মুখ যদি শীর্ষ পদ পান, তবে তা ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে আরও বেগবান করবে।
চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন কেন্দ্রীয় সংসদ ঐতিহ্যবাহী এই কলেজ শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, সব সমীকরণ মেলাবেন কে এবং কার কাঁধে ওঠে ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের নেতৃত্বের নতুন জোয়াল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইডেন মহিলা কলেজ দেশের অন্যতম বৃহৎ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়ায় এখানকার ছাত্রসংগঠনের নেতৃত্ব জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্ব বহন করে। কলেজটি ১৮৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং বর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহৎ নারী কলেজ হিসেবে পরিচিত।