ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমন চাষে সরকারি প্রণোদনা ও সার্বক্ষণিক তদারকিতে কৃষি অফিস: উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ

আমন মৌসুমকে ঘিরে নীলফামারীর মাঠে এখন কৃষকদের ব্যস্ততা বেড়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় উঁচু জমিতে ইতোমধ্যে আমন ধানের চারা রোপণ শুরু হয়েছে। অন্যদিকে অধিকাংশ কৃষকের বীজতলা প্রস্তুত হয়ে গেছে এবং পর্যায়ক্রমে জমিতে চারা রোপণ করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে নীলফামারী সদর উপজেলায় প্রায় ২৯ হাজার২০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২৮ হাজার হেক্টর জমির প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
চলতি মৌসুমে সরকারি কৃষি প্রণোদনার আওতায় সদর উপজেলার ৪ হাজার ১০০ জন কৃষককে উন্নত জাতের ধানবীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছের চারাও বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ বলেন, উঁচু জমিতে ব্রি ধান-১০৩ এবং নিচু জমিতে ব্রি ধান-১১০ আবাদ করলে ভালো ফলন পাওয়া যাবে। তিনি কৃষকদের বীজতলার সঠিক পরিচর্যা, সময়মতো চারা রোপণ এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি অনুসরণের পরামর্শ দেন।
তিনি আরও বলেন, আমন ধান কাটার পর একই জমিতে সরিষা, আলু ও অন্যান্য রবি ফসল চাষ করলে কৃষকরা অতিরিক্ত লাভবান হতে পারবেন। বর্তমানে লিচু ও আমবাগানেও পরিচর্যা ও ফল সংগ্রহের কাজ চলছে।
আতিক আহমেদ জানান, কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিতে প্রতিটি ইউনিয়নে তিনজন করে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। তারা নিয়মিত কৃষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বীজতলা পরিচর্যা, রোগবালাই দমন, আধুনিক চাষাবাদ এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।
তিনি কৃষকদের যেকোনো সমস্যা বা পরামর্শের জন্য নিকটস্থ কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার আহ্বান জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

আমন চাষে সরকারি প্রণোদনা ও সার্বক্ষণিক তদারকিতে কৃষি অফিস: উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ

আপডেট সময় : ০৯:৩২:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

আমন মৌসুমকে ঘিরে নীলফামারীর মাঠে এখন কৃষকদের ব্যস্ততা বেড়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় উঁচু জমিতে ইতোমধ্যে আমন ধানের চারা রোপণ শুরু হয়েছে। অন্যদিকে অধিকাংশ কৃষকের বীজতলা প্রস্তুত হয়ে গেছে এবং পর্যায়ক্রমে জমিতে চারা রোপণ করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে নীলফামারী সদর উপজেলায় প্রায় ২৯ হাজার২০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২৮ হাজার হেক্টর জমির প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
চলতি মৌসুমে সরকারি কৃষি প্রণোদনার আওতায় সদর উপজেলার ৪ হাজার ১০০ জন কৃষককে উন্নত জাতের ধানবীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছের চারাও বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ বলেন, উঁচু জমিতে ব্রি ধান-১০৩ এবং নিচু জমিতে ব্রি ধান-১১০ আবাদ করলে ভালো ফলন পাওয়া যাবে। তিনি কৃষকদের বীজতলার সঠিক পরিচর্যা, সময়মতো চারা রোপণ এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি অনুসরণের পরামর্শ দেন।
তিনি আরও বলেন, আমন ধান কাটার পর একই জমিতে সরিষা, আলু ও অন্যান্য রবি ফসল চাষ করলে কৃষকরা অতিরিক্ত লাভবান হতে পারবেন। বর্তমানে লিচু ও আমবাগানেও পরিচর্যা ও ফল সংগ্রহের কাজ চলছে।
আতিক আহমেদ জানান, কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিতে প্রতিটি ইউনিয়নে তিনজন করে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। তারা নিয়মিত কৃষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বীজতলা পরিচর্যা, রোগবালাই দমন, আধুনিক চাষাবাদ এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।
তিনি কৃষকদের যেকোনো সমস্যা বা পরামর্শের জন্য নিকটস্থ কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার আহ্বান জানান।