যিনি একজন বিচক্ষণ চিন্তা চেতনার অধিকারী এবং নিপীড়িতের কণ্ঠস্বর ছিলেন।
কৃষক-প্রজার অধিকার এবং তরুণ প্রজম্মকে প্রতিটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনপদের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার একটি বাস্তব রূপরেখা তিনি তুলে ধরেছিলেন তার বক্তব্যর মাধ্যমে।
যেখানে নিরাপত্তা, মর্যাদা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন সেখানে তিনি তরুণ দের জাগিয়ে তুলেছিলেন।
যিনি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তার একজন রূপকার ছিলেন।
যিনি কাজে বিশ্বাসী ছিলেন , কথায় নয়।
তিনি কথা বলতেন শোষণের বিরুদ্ধে, মানুষের পক্ষে।
তিনি শুধু একজন শুধু লেখক নন একটি চিন্তার ধারার নাম তার আদর্শ আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণে পথ দেখিয়েছিলেন
যার ব্যাপারে লেখার সাধ্য আমার নেই,,,,,✍️✍️।
তবুও কিছু লিখলাম মনে গ্রহিন ভালোবাসা থেকে
রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দান থেকে লাখো জনতার সেই মিছিল এগিয়ে গিয়েছিল ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে। বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা ও নদীর অস্তিত্ব রক্ষার দাবিতে।
ফারাক্কা বাঁধ ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতি ভারতের প্রভুসুলভ আচরণের এক নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। আন্তর্জাতিক নদীর পানির ন্যায্য বণ্টন উপেক্ষা করে একতরফাভাবে গঙ্গার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে ধীরে ধীরে মরুকরণের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়। পদ্মা, মহানন্দা ও অসংখ্য নদী হারাতে থাকে তাদের নাব্যতা। কৃষি, জীববৈচিত্র্য ও জনজীবনে নেমে আসে ভয়াবহ বিপর্যয়।
এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই মাওলানা ভাসানী ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চের ডাক দিয়েছিলেন। এটি ছিল স্বাধীনতাকামী, বাংলাদেশপন্থী জনগণের আত্মমর্যাদা রক্ষার গণজাগরণ। সেই লংমার্চ বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছিল। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল।
ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবসে আমরা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দূরদর্শী নেতৃত্বকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। একইসঙ্গে বাংলাদেশের নদী, পরিবেশ ও পানির ন্যায্য অধিকার রক্ষার সংগ্রামে নতুন প্রজন্মকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।
লিখেছেন, তরিকুল ইসলাম তাকি স্টাফ রিপোর্টার। পল্টন মতিঝিল। ছবি, সংগৃহীত 

























