ঢাকা ১২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অপহরণমুক্ত টেকনাফের দাবিতে কক্সবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদী অবস্থান

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়া অপহরণ, মানবপাচার ও মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধ বন্ধের দাবিতে রাজপথে নেমেছেন কক্সবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন তারা।
​কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে টেকনাফ ও আশপাশের এলাকাগুলোতে অপহরণ, মানবপাচার এবং মাদকের কারবার চরম আকার ধারণ করেছে। এর ফলে স্থানীয় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন-জীবিকা ও নিরাপত্তা এখন গভীর হুমকির মুখে। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে নিস্তার পেতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।
​অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের হাতে “অপহরণমুক্ত টেকনাফ চাই”, “টেকনাফ বাঁচলে, বাংলাদেশ বাঁচবে”, “Stop Kidnapping” এবং “Ensure Public Safety”-সহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।
​এ সময় শিক্ষার্থীরা উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলে শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন:
​অপরাধীদের শনাক্তকরণ: অপহরণ, মাদক কারবার ও মানবপাচারে যুক্ত চক্রগুলোকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
​সীমান্ত নিরাপত্তা ও নজরদারি: সীমান্ত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং নাফ নদীতে ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক টহল ও নজরদারি জোরদার করা।
​স্থায়ী নিরাপত্তা চৌকি: উখিয়া ও টেকনাফের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে অবিলম্বে স্থায়ী পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা চৌকি (চেকপোস্ট) স্থাপন করা।
​সমন্বিত অভিযান: সাগরপথে মানবপাচার ও আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান বন্ধে সকল বাহিনীর যৌথ ও সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা।
​টেকসই নিরাপত্তা: সীমান্ত ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা।
​শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, উখিয়া ও টেকনাফের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচির দিকে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

অপহরণমুক্ত টেকনাফের দাবিতে কক্সবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদী অবস্থান

আপডেট সময় : ০৩:১৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

 

 

কক্সবাজারের টেকনাফে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়া অপহরণ, মানবপাচার ও মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধ বন্ধের দাবিতে রাজপথে নেমেছেন কক্সবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন তারা।
​কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে টেকনাফ ও আশপাশের এলাকাগুলোতে অপহরণ, মানবপাচার এবং মাদকের কারবার চরম আকার ধারণ করেছে। এর ফলে স্থানীয় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন-জীবিকা ও নিরাপত্তা এখন গভীর হুমকির মুখে। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে নিস্তার পেতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।
​অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের হাতে “অপহরণমুক্ত টেকনাফ চাই”, “টেকনাফ বাঁচলে, বাংলাদেশ বাঁচবে”, “Stop Kidnapping” এবং “Ensure Public Safety”-সহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।
​এ সময় শিক্ষার্থীরা উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলে শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন:
​অপরাধীদের শনাক্তকরণ: অপহরণ, মাদক কারবার ও মানবপাচারে যুক্ত চক্রগুলোকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
​সীমান্ত নিরাপত্তা ও নজরদারি: সীমান্ত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং নাফ নদীতে ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক টহল ও নজরদারি জোরদার করা।
​স্থায়ী নিরাপত্তা চৌকি: উখিয়া ও টেকনাফের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে অবিলম্বে স্থায়ী পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা চৌকি (চেকপোস্ট) স্থাপন করা।
​সমন্বিত অভিযান: সাগরপথে মানবপাচার ও আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান বন্ধে সকল বাহিনীর যৌথ ও সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা।
​টেকসই নিরাপত্তা: সীমান্ত ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা।
​শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, উখিয়া ও টেকনাফের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচির দিকে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা