ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে রোপা আমন ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকেরা, বাম্পার ফলনের আশা

 

লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলায় রোপা আমন ধান খেত পরিচর্যায় এখন দম ফেলার ফুসরত নেই কৃষকদের। মাঠের পর মাঠ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা সবুজ স্বপ্নের পরিচর্যায় সূর্য ওঠার পর থেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন তারা। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং বড় ধরনের কোনো রোগবালাই না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ফলনের আশা করছেন স্থানীয় চাষিরা।
লালমনিরহাটের আদিতমারী ​উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, ভোরের আলো ফুটতেই কৃষকেরা নিড়ানি হাতে নেমে পড়ছেন আমন খেতে। খেতের আগাছা পরিষ্কার করা, সুষম সার ও কীটনাশক প্রয়োগ, এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিক রাখার কাজে পার করছেন দিনের অধিকাংশ সময়। কোথাও কোথাও খেতের জমাট পানি নিষ্কাশন কিংবা সম্পূরক সেচ দেওয়ার কাজও চলছে জোরকদমে।
​জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের ৬৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ কৃষক আঃমান্নান বলেন, চারার প্রাথমিক ধকল কেটে যাওয়ার পর এখন গাছগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। খেতের এ অবস্থাকে ধানের ‘বাড়ন্ত সময়’ বলা হয়। তাই এই মুহূর্তে পরিচর্যায় সামান্য অবহেলা হলে ফলনে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। কৃষকদের ভাষায়, “খেত এখন যত পরিষ্কার আর পুষ্ট রাখা যাবে, থোড় আসার পর ফলন তত ভালো হবে।”

​কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি আমন মৌসুমে জেলায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে উচ্চফলনশীল ও হাইব্রিড জাতের ধান চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ের উপ-সহকারী কর্মকর্তারা নিয়মিত খেত পরিদর্শন করছেন এবং কৃষকদের সঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগ ও বালাই ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। ​প্রাকৃতিক কোনো বড় দুর্যোগ না ঘটলে এবং আগামী দিনগুলোতে আবহাওয়া এমন অনুকূলে থাকলে এবার লালমনিরহাটে রোপা আমনের বাম্পার ফলন হবে বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তা ও সাধারণ কৃষকেরা।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

লালমনিরহাটে রোপা আমন ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকেরা, বাম্পার ফলনের আশা

আপডেট সময় : ০১:০০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলায় রোপা আমন ধান খেত পরিচর্যায় এখন দম ফেলার ফুসরত নেই কৃষকদের। মাঠের পর মাঠ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা সবুজ স্বপ্নের পরিচর্যায় সূর্য ওঠার পর থেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন তারা। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং বড় ধরনের কোনো রোগবালাই না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ফলনের আশা করছেন স্থানীয় চাষিরা।
লালমনিরহাটের আদিতমারী ​উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, ভোরের আলো ফুটতেই কৃষকেরা নিড়ানি হাতে নেমে পড়ছেন আমন খেতে। খেতের আগাছা পরিষ্কার করা, সুষম সার ও কীটনাশক প্রয়োগ, এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিক রাখার কাজে পার করছেন দিনের অধিকাংশ সময়। কোথাও কোথাও খেতের জমাট পানি নিষ্কাশন কিংবা সম্পূরক সেচ দেওয়ার কাজও চলছে জোরকদমে।
​জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের ৬৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ কৃষক আঃমান্নান বলেন, চারার প্রাথমিক ধকল কেটে যাওয়ার পর এখন গাছগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। খেতের এ অবস্থাকে ধানের ‘বাড়ন্ত সময়’ বলা হয়। তাই এই মুহূর্তে পরিচর্যায় সামান্য অবহেলা হলে ফলনে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। কৃষকদের ভাষায়, “খেত এখন যত পরিষ্কার আর পুষ্ট রাখা যাবে, থোড় আসার পর ফলন তত ভালো হবে।”

​কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি আমন মৌসুমে জেলায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে উচ্চফলনশীল ও হাইব্রিড জাতের ধান চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ের উপ-সহকারী কর্মকর্তারা নিয়মিত খেত পরিদর্শন করছেন এবং কৃষকদের সঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগ ও বালাই ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। ​প্রাকৃতিক কোনো বড় দুর্যোগ না ঘটলে এবং আগামী দিনগুলোতে আবহাওয়া এমন অনুকূলে থাকলে এবার লালমনিরহাটে রোপা আমনের বাম্পার ফলন হবে বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তা ও সাধারণ কৃষকেরা।