চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ২ নং হোছনাবাদ ইউনিয়নের মরহুম মিজানুর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন রাঙ্গুনিয়া-৭ আসনের এমপি হুমাম কাদের চৌধুরী। কবর জিয়ারত শেষে তিনি মরহুমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি ইউসুফ চৌধুরী।
আরো উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক ইমাম হোসেন চৌধুরী।
এবং ২ নং হোছনাবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মির্জা নাজিম উদ্দিন খোকন, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা যুবদলের সদস্য মো. আবু তাহের,।
উপজেলা বিএনপির নেতা নুর মোহাম্মদ,
রাঙ্গুনিয়া উপজেলা তারেক জিয়া প্রজন্ম দলের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ওসমান গনি, ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর মেম্বার, ইউনিয়ন তাঁতীদলের সভাপতি মো. মোছা, যুবদল নেতা মির্জা আশরাফ, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ আরজু এবং ইউনিয়ন তাঁতীদলের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
মরহুম মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ২ নম্বর হোছনাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় মরহুম মিজানুর রহমানের পেছনে প্রায় ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়। তার প্রাথমিক চিকিৎসার সময় মো. আবু নাসের টিপু নামে একজন দানশীল সমাজসেবক/ দই২ লাখ টাকা দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তা দিয়েই মিজানুর রহমানের চিকিৎসা শুরু হয়।
পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষী তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
চিকিৎসার খবর পেয়ে আমেরিকাপ্রবাসী মোহাম্মদ আলমগীরও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তিনি ধাপে ধাপে মোট ১৮ লাখ টাকা অনুদান দেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এসব অর্থ দিয়ে মরহুম মিজানুর রহমানের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা হয়।
দীর্ঘদিন চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তিনি মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে চলে যান।
মরহুমের কবর জিয়ারতকালে এমপি হুমাম কাদের চৌধুরী তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। এ সময় উপস্থিত সবাই মরহুম মিজানুর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
প্রতিবেদক ওমর ফারুক 



















