ঢাকা ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে পাটের আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত কৃষক; ভালো ফলন ও দামে প্রত্যাশার আলো

জলাশয়ে পাট পচানো থেকে শুরু করে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে আঁশ ছাড়ানোর কাজে এখন পার করছেন লালমনিরহাটের পাটচাষিরা। জেলার বিভিন্ন নদী-নালা, খাল-বিল আর জলাশয়ের ধারে এখন যেন কৃষাণ-কৃষাণীদের নিশ্বাস ফেলার জো নেই। কাঙ্ক্ষিত ফলন ও বাজারে পাটের ভালো দাম পাওয়ার আশায় হাঁড়ভাঙা খাটুনিতে বিন্দুমাত্র ক্লান্তি নেই তাদের।
​সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই জলাশয়ের কাদা-পানিতে নেমে পড়ছেন চাষিরা। পাটের আঁশ ছাড়ানো, ধোয়া এবং নদীর পাড় বা মেঠোপথের ধারে বাঁশের আড়ে রোদে শুকাতে দেওয়ার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। পুরুষদের পাশাপাশি পরিবারের নারী সদস্যরাও সমান তালে এই কাজে সহযোগিতা করছেন।
জেলার আদিতমারী ​উপজেলার একাধিক পাটচাষি জানান, সঠিক সময়ে বৃষ্টি হওয়া এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার পাটের আঁশ ছাড়ানো বেশ সহজ হচ্ছে। জলাশয়ে পর্যাপ্ত পানি থাকায় পাটের পচনও হয়েছে মানসম্মত, যার ফলে আঁশের রং হয়েছে সোনালি ও উজ্জ্বল। এক বিঘা জমির পাট পচানো ও আঁশ ছাড়াতে শ্রমিক খরচ কিছুটা বাড়লেও পাটের বর্তমান বাজারদর ভালো থাকলে সব কষ্ট দূর হয়ে যাবে বলে জানান তারা।
​স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, পাটের গুণগত মান ঠিক রাখতে কৃষকদের রিবন রেটিং ও সঠিক পদ্ধতিতে পাট পচানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রোগবালাই কম হওয়া এবং আঁশের মান ভালো হওয়ায় কৃষকরা এবার বাজারে ভালো দাম পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

লালমনিরহাটে পাটের আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত কৃষক; ভালো ফলন ও দামে প্রত্যাশার আলো

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জলাশয়ে পাট পচানো থেকে শুরু করে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে আঁশ ছাড়ানোর কাজে এখন পার করছেন লালমনিরহাটের পাটচাষিরা। জেলার বিভিন্ন নদী-নালা, খাল-বিল আর জলাশয়ের ধারে এখন যেন কৃষাণ-কৃষাণীদের নিশ্বাস ফেলার জো নেই। কাঙ্ক্ষিত ফলন ও বাজারে পাটের ভালো দাম পাওয়ার আশায় হাঁড়ভাঙা খাটুনিতে বিন্দুমাত্র ক্লান্তি নেই তাদের।
​সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই জলাশয়ের কাদা-পানিতে নেমে পড়ছেন চাষিরা। পাটের আঁশ ছাড়ানো, ধোয়া এবং নদীর পাড় বা মেঠোপথের ধারে বাঁশের আড়ে রোদে শুকাতে দেওয়ার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। পুরুষদের পাশাপাশি পরিবারের নারী সদস্যরাও সমান তালে এই কাজে সহযোগিতা করছেন।
জেলার আদিতমারী ​উপজেলার একাধিক পাটচাষি জানান, সঠিক সময়ে বৃষ্টি হওয়া এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার পাটের আঁশ ছাড়ানো বেশ সহজ হচ্ছে। জলাশয়ে পর্যাপ্ত পানি থাকায় পাটের পচনও হয়েছে মানসম্মত, যার ফলে আঁশের রং হয়েছে সোনালি ও উজ্জ্বল। এক বিঘা জমির পাট পচানো ও আঁশ ছাড়াতে শ্রমিক খরচ কিছুটা বাড়লেও পাটের বর্তমান বাজারদর ভালো থাকলে সব কষ্ট দূর হয়ে যাবে বলে জানান তারা।
​স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, পাটের গুণগত মান ঠিক রাখতে কৃষকদের রিবন রেটিং ও সঠিক পদ্ধতিতে পাট পচানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রোগবালাই কম হওয়া এবং আঁশের মান ভালো হওয়ায় কৃষকরা এবার বাজারে ভালো দাম পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।