ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকনাফে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন: রাসেলের নেতৃত্বে মোটরসাইকেল ও গাড়ি বহরের বিশাল শোডাউন

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সীমান্তবর্তী উপজেলা টেকনাফে এক অভাবনীয় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টেকনাফ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রাসেল উদ্দিনের নেতৃত্বে রাজপথে এক সুবিশাল ও বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল ও গাড়ি বহরের শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
​উৎসবমুখর রাজপথ ও বর্ণাঢ্য বহর
বুধবার সকালে টেকনাফের প্রবেশমুখ থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলে শতাধিক সাজসজ্জিক গাড়ি ও মোটরসাইকেল অংশ নেয়। টেকনাফ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট রশিদুল আলম চৌধুরী এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি ফরিদুল আলমের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই বৃহৎ বহরটি মূল সমাবেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
​দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুনে সুসজ্জিত এই বহরে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। সুসজ্জিত বহরটি রাজপথে নামলে পুরো টেকনাফ শহর উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়। নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শের স্লোগানে স্লোগানে কেঁপে ওঠে চারপাশ।ড়
​নির্যাতন উপেক্ষা করে রাজপথে সক্রিয় নেতৃত্ব
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বহরের মূল নেতৃত্বে থাকা মোহাম্মদ রাসেল উদ্দিন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক নির্যাতন ও নিগ্রহের শিকার হয়েছেন। তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল করার উদ্দেশ্যে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল। রাজপথের এই আপসহীন নেতাকে একাধিকবার কারাবরণ করতে হয়েছে এবং জেলহাজতে অমানুষিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। তবে সব জুলুম ও নির্যাতন উপেক্ষা করে টেকনাফে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে তিনি সর্বদা অগ্রভাগে ছিলেন।
​নেতাকর্মীদের ঐক্যের বার্তা
মিছিল চলাকালে মোহাম্মদ রাসেল উদ্দিন বলেন,
​”বিগত শাসনামলে আমাদের ওপর হাজারো নির্যাতন, জেল-জুলুম ও মিথ্যা মামলা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো নির্যাতনই আমাদের রাজপথ থেকে সরাতে পারেনি। টেকনাফ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট রশিদুল আলম চৌধুরী ও সিনিয়র সহ-সভাপতি ফরিদুল আলম ভাইসহ আমরা সবাই আজ ঐক্যবদ্ধ। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুদৃঢ় নেতৃত্বে টেকনাফের মাটিতে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে পরাজিত করার ক্ষমতা কারও নেই। যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা জীবন বাজি রেখে রাজপথে থাকব।”
​সমাবেশে সমাপ্তি
মিছিলটি টেকনাফের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল সমাবেশস্থলে গিয়ে শেষ হয়। টেকনাফ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ নেতাদের সমন্বয়ে আয়োজিত এই শোডাউন স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং রাজপথের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

টেকনাফে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন: রাসেলের নেতৃত্বে মোটরসাইকেল ও গাড়ি বহরের বিশাল শোডাউন

আপডেট সময় : ০১:২৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সীমান্তবর্তী উপজেলা টেকনাফে এক অভাবনীয় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টেকনাফ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রাসেল উদ্দিনের নেতৃত্বে রাজপথে এক সুবিশাল ও বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল ও গাড়ি বহরের শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
​উৎসবমুখর রাজপথ ও বর্ণাঢ্য বহর
বুধবার সকালে টেকনাফের প্রবেশমুখ থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলে শতাধিক সাজসজ্জিক গাড়ি ও মোটরসাইকেল অংশ নেয়। টেকনাফ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট রশিদুল আলম চৌধুরী এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি ফরিদুল আলমের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই বৃহৎ বহরটি মূল সমাবেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
​দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুনে সুসজ্জিত এই বহরে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। সুসজ্জিত বহরটি রাজপথে নামলে পুরো টেকনাফ শহর উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়। নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শের স্লোগানে স্লোগানে কেঁপে ওঠে চারপাশ।ড়
​নির্যাতন উপেক্ষা করে রাজপথে সক্রিয় নেতৃত্ব
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বহরের মূল নেতৃত্বে থাকা মোহাম্মদ রাসেল উদ্দিন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক নির্যাতন ও নিগ্রহের শিকার হয়েছেন। তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল করার উদ্দেশ্যে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল। রাজপথের এই আপসহীন নেতাকে একাধিকবার কারাবরণ করতে হয়েছে এবং জেলহাজতে অমানুষিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। তবে সব জুলুম ও নির্যাতন উপেক্ষা করে টেকনাফে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে তিনি সর্বদা অগ্রভাগে ছিলেন।
​নেতাকর্মীদের ঐক্যের বার্তা
মিছিল চলাকালে মোহাম্মদ রাসেল উদ্দিন বলেন,
​”বিগত শাসনামলে আমাদের ওপর হাজারো নির্যাতন, জেল-জুলুম ও মিথ্যা মামলা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো নির্যাতনই আমাদের রাজপথ থেকে সরাতে পারেনি। টেকনাফ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট রশিদুল আলম চৌধুরী ও সিনিয়র সহ-সভাপতি ফরিদুল আলম ভাইসহ আমরা সবাই আজ ঐক্যবদ্ধ। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুদৃঢ় নেতৃত্বে টেকনাফের মাটিতে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে পরাজিত করার ক্ষমতা কারও নেই। যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা জীবন বাজি রেখে রাজপথে থাকব।”
​সমাবেশে সমাপ্তি
মিছিলটি টেকনাফের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল সমাবেশস্থলে গিয়ে শেষ হয়। টেকনাফ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ নেতাদের সমন্বয়ে আয়োজিত এই শোডাউন স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং রাজপথের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে