ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভেড়ামারায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বস্তা পদ্ধতিতে মরিচ চাষ

 

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বস্তা পদ্ধতিতে মরিচ চাষ। উপজেলা কৃষি অফিসের প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাওয়ায় ভেড়ামারা উপজেলার গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে এই পদ্ধতি। তাই এ বস্তা পদ্ধতিতে আগ্রহ বাড়ছে মানুষের মধ্যে।

ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের কাজিহাটা ব্লকের স্বরূপের ঘোপ ঈদগাহ পাড়া গ্রামের মোছাঃ শিরিনা খাতুন (৫২) বস্তায় আকাশী জাতের মরিচ চাষ করছেন। তার বাড়ির আঙিনায় প্রায় একশত বস্তা দিয়ে এই মরিচ চাষ ইতিমধ্যে শুরু করেছেন। এর আগে তিনি বস্তায় আদা চাষ করেছিলেন, আদা চাষে তিনি বেশ সফলতা পান। আদা চাষে সফলতার পর এবার বস্তায় মরিচ চাষ শুরু করেছেন তিনি।

শিরিনা খাতুন জানান, মূলত অসময়ে মরিচ চাষ করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বস্তায় মরিচ চাষে সার ও জৈব সার অপচয় হয় না। আগাছা মরিচ চাষের বড় অন্তরায়। বস্তায় আগাছা কম হয়। পানি দিলেও পানি জমে থাকবে না। এ কারণে মরিচ গাছ নষ্ট হবে না। তার প্রতিটি বস্তায় খরচ পড়েছে ৩০-৩৫ টাকা। প্রতিটি বস্তা থেকে প্রায় ২০০ টাকার মরিচ বিক্রি হবে বলে আশা করেন তিনি।

ভেড়ামারার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সদরুল ইসলাম বলেন, বস্তায় মরিচ চাষ করা যায়। তবে বস্তার মাটি হতে হবে উর্বর। ভালো মাটি ও সার থাকলে বস্তায় ভালো ফলন পাওয়া যাবে। বস্তায় মরিচ চাষের উপকার বেশি। এতে পতিত জমি ব্যবহার করা যায়। বর্ষাকালে মরিচ গাছের ও কোনো ক্ষতি হয় না।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ভেড়ামারায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বস্তা পদ্ধতিতে মরিচ চাষ

আপডেট সময় : ০৮:৪০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বস্তা পদ্ধতিতে মরিচ চাষ। উপজেলা কৃষি অফিসের প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাওয়ায় ভেড়ামারা উপজেলার গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে এই পদ্ধতি। তাই এ বস্তা পদ্ধতিতে আগ্রহ বাড়ছে মানুষের মধ্যে।

ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের কাজিহাটা ব্লকের স্বরূপের ঘোপ ঈদগাহ পাড়া গ্রামের মোছাঃ শিরিনা খাতুন (৫২) বস্তায় আকাশী জাতের মরিচ চাষ করছেন। তার বাড়ির আঙিনায় প্রায় একশত বস্তা দিয়ে এই মরিচ চাষ ইতিমধ্যে শুরু করেছেন। এর আগে তিনি বস্তায় আদা চাষ করেছিলেন, আদা চাষে তিনি বেশ সফলতা পান। আদা চাষে সফলতার পর এবার বস্তায় মরিচ চাষ শুরু করেছেন তিনি।

শিরিনা খাতুন জানান, মূলত অসময়ে মরিচ চাষ করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বস্তায় মরিচ চাষে সার ও জৈব সার অপচয় হয় না। আগাছা মরিচ চাষের বড় অন্তরায়। বস্তায় আগাছা কম হয়। পানি দিলেও পানি জমে থাকবে না। এ কারণে মরিচ গাছ নষ্ট হবে না। তার প্রতিটি বস্তায় খরচ পড়েছে ৩০-৩৫ টাকা। প্রতিটি বস্তা থেকে প্রায় ২০০ টাকার মরিচ বিক্রি হবে বলে আশা করেন তিনি।

ভেড়ামারার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সদরুল ইসলাম বলেন, বস্তায় মরিচ চাষ করা যায়। তবে বস্তার মাটি হতে হবে উর্বর। ভালো মাটি ও সার থাকলে বস্তায় ভালো ফলন পাওয়া যাবে। বস্তায় মরিচ চাষের উপকার বেশি। এতে পতিত জমি ব্যবহার করা যায়। বর্ষাকালে মরিচ গাছের ও কোনো ক্ষতি হয় না।