ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাইস্কা ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম, জমি বিরোধ নিষ্পত্তিতে চলছে নথি পর্যালোচনা

 

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালতের আওতায় থাকা একটি জমি সংক্রান্ত মামলার নথিপত্র, তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়েছে।
ছবিতে থাকা নথিপত্র অনুযায়ী, মামলাটি জমির মালিকানা, ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত অংশ এবং ভোগদখলকে কেন্দ্র করে দায়ের করা হয়েছে। এতে বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ রয়েছে।
মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্ত করা হয়। এ সময় জমির অবস্থান, ভোগদখল, মালিকানা এবং ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত অংশসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার নথিপত্র গ্রাম আদালতের সামনে উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করা হয়।
গ্রাম আদালতের কার্যক্রমের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থানীয় জনগণের ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ সহজ, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য দূরবর্তী আদালতে গিয়ে দীর্ঘ সময় ও অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন কমছে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগও বাড়ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও কার্যকর ও গতিশীল হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনি সচেতনতা বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

পাইস্কা ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম, জমি বিরোধ নিষ্পত্তিতে চলছে নথি পর্যালোচনা

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালতের আওতায় থাকা একটি জমি সংক্রান্ত মামলার নথিপত্র, তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়েছে।
ছবিতে থাকা নথিপত্র অনুযায়ী, মামলাটি জমির মালিকানা, ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত অংশ এবং ভোগদখলকে কেন্দ্র করে দায়ের করা হয়েছে। এতে বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ রয়েছে।
মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্ত করা হয়। এ সময় জমির অবস্থান, ভোগদখল, মালিকানা এবং ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত অংশসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার নথিপত্র গ্রাম আদালতের সামনে উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করা হয়।
গ্রাম আদালতের কার্যক্রমের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থানীয় জনগণের ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ সহজ, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য দূরবর্তী আদালতে গিয়ে দীর্ঘ সময় ও অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন কমছে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগও বাড়ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও কার্যকর ও গতিশীল হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনি সচেতনতা বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।