ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামার বাড়ি তিস্তা নিয়া যাচ্ছে, হামাক বাঁচান’-উলিপুরে ভাঙনে আতঙ্কে ৫ পরিবার,

 

হামার বাড়ি তিস্তা নদীত ভাঙি যায় বাহে বাঁচান এ ভাবে আকুতি করেছিলেন কুড়িগ্রামের উলিপুরে থেতরাই ইউনিয়নের হোকডাঙ্গা মাঝিপাড়া এলাকার বিধবা এক নারী জসদা রানী (৭০)।

তিস্তার ভাঙনে বসতভিটার অর্ধেক জমি নদীগর্ভে গেলেও বাকি অর্ধেক জায়গায় পরিবার সহ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তিনি। তার পরিবারে কর্মক্ষম একমাত্র সন্তান জেলে সুশান্ত চন্দ্র দাস। নদীতে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে যা আয় হয় তা দিয়ে চালান সংসার। তার এ ভিটাটুকু নদী গর্ভে গেলে নিঃস্ব হয়ে পথে বসে যেতে হবে।

এছাড়া সেখানে থাকা ৪ থেকে ৫টি বাড়ি ঝুঁকিতে রয়েছে। তারা অভিযোগ করে বলেন, গত দেড় মাস আগে তিস্তার ভাঙ্গন রোধে বাড়িভিটা রক্ষায় কুড়িগ্রাম পাউবো থেকে কিছু জিও ব্যাগ অপরিকল্পিত ভাবে বাড়ির সামনে ফেলানো হয়েছিল। যা তিস্তার তীব্র স্রোতে সেখান থেকে সরিয়ে অন্যত্রে চলে গেছে। নিচ থেকে পাইলিং করে পাড় বেঁধে দিলে এরকম ঘটনা ঘটত না। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষেরা নদীর নিচ থেকে উপরে পাড় পর্যন্ত পাইলিং করে বেঁধে দেয়ার জোর দাবী জানান।

জানা যায়, উপজেলার বজরা, গুনাইগাছ, থেতরাই ও দলদলিয়া ইউনিয়ন তিস্তা নদী দ্বারা বেষ্টিত। এসব ইউনিয়নের তিস্তা নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা গুলোর মধ্যে পশ্চিম বজরা, চর বজরা, বাঁধের মাথা, উত্তর সাদুয়া দামার হাট, খামার দামার হাট নদীর পশ্চিম পাড়, সাতালস্ক, চর বজরা, সন্তোষ অভিরাম, কাজিরচক, টিটমা, গোড়াইপিয়ার, শেখেরটেক, পাকার মাথা, দড়ি কিশোর পুর, বামনপাড়া, কুমারপাড়া, ভেন্ডারপাড়া, ফকিরপাড়া, ঠুটাপাইকার, কর্পুরা, লাল মসজিদ ও অর্জুন ও রকিদেব সহ অন্যান্য এলাকা ভাঙন হিসাবে চিহ্নিত করে সরকারি ভাবে জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর কাজ করলেও অনেক এলাকায় এখনো ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে থেতরাই ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড এর মাঝিপাড়া এলাকা রয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে থেতরাই ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড এর মাঝিপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বিধবা জসদা রানীর বাড়িভিটার ৮ শতক জমির মধ্যে ৬ শতক জমি কয়েক দিনের ভাঙনে নদীগর্ভে চলে গেছে। বাকি অর্ধেক জায়গায় ছেলে, গৃহবধূ ও তাদের সন্তানদের নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। এভাবে সেখানে থাকা আরও ৪ থেকে ৫টি পরিবার আতংকে রয়েছে। জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন ঠেকানো কথা থাকলেও ওই এলাকায় গত দেড় মাস আগে অপরিকল্পিত ভাবে জিও ব্যাগ নদীতে ফেলিয়ে পাড় ভাঙনের চেষ্টা করেছিলেন কুড়িগ্রাম পাউবো।

ওই এলাকার ভুক্তভোগীরা জানান, কুড়িগ্রাম পাউবো থেকে গত দেড় মাস আগে জিও ব্যাগ নদীতে ফেলেছে কিন্তু পাইলিং করে দেয় নি। ফলে এখন নদীর তীব্র স্রোতে বস্তার নিচের মাটি সরিয়ে স্রোতের সাথে সরিয়ে যাচ্ছে। যার কারণে পাড় ভেঙে যাচ্ছে। এছাড়া গত বছর ওই এলাকায় তিস্তার ভাঙ্গনে বাস্তুহারা হয়েছেন প্রায় ১৫ থেকে ২০ টি পরিবার। তারা এখন উপায়ন্তর না পেয়ে অন্যের জমিতে ঘর উঠিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তারা দাবি করে বলেন, বসতবাড়ি রক্ষায় স্থায়ী প্রতিরোধের ব্যবস্থা করে দিলে আমরা পাড়ের মানুষজন একটু শান্তিতে থাকতে পারতাম।

হোকডাঙ্গা মাঝিপাড়া এলাকার বিধবা জসদা রানী বলেন, গত কয়েকদিনের ভাঙনে বাড়িভিটার ৮শতক জমির মধ্যে ৬ শতক জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বাকি অর্ধেক জমিতে পরিবার নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছি। আমার পরিবারে কর্মক্ষম এক মাত্র জেলে সন্তান সুশান্ত চন্দ্র দাস। সে নদীতে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে কোনমতে জীবন বাঁচাই। সামান্য ভিটে টুকু আমাদের সম্বল। তা যদি নদীতে চলে যায় তাহলে আমি কোথায় যাবো। সবাই হামাক বাঁচান, হামার বাড়ি তিস্তা নিয়া যাচ্ছে বলে কেঁদে ফেলেন।

একই এলাকার হুমকির মুখে থাকা, বাবলু চন্দ্র দাস, পঁচা চন্দ্র দাস, গোপাল চন্দ্র দাস ও পুদিরাম চন্দ্র দাস, দুলাল চন্দ্র দাস, মমিনুল ইসলাম ও বেলাল মিয়া সহ আরও অনেক বলেন, গত কয়েকদিনের তিস্তার ভাঙনে আমরা পাড়ের মানুষজন আতংকে আছি। আমাদের এ এলাকায় ভাঙন ঠেকানোর জন্য অল্প কিছু জিও ব্যাগ অপরিকল্পিত ভাবে নদীতে ফেলেছে। পাইলিং না করে পাড় থেকে নিচে জিও ব্যাগ ফেলেছে। এখন তিস্তার তীব্র স্রোতে জিও ব্যাগ সরে গিয়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নামে মাত্র ভাঙন ঠেকানো কাজ করে যদি আমাদের বাড়িভিটা নদীতে চলে যায় আমরা কোথায় যাবো। অতি তারাতাড়ি জিও ব্যাগ দিয়ে পাইলিং করে ভাঙন ঠেকানোর জোর দাবি জানান।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, হোকডাঙ্গা মাঝিপাড়া এলাকায় তিস্তার ভাঙনের বিষয়ে আমি অবগত আছি। সেখানে আমাদের লোকজন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন। ওই এলাকা ভাঙন রোধে ৬ হাজার জিও ব্যাগের জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ এলেই পাইলিং করে ভাঙন রোধের ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ,টি,এম আরিফ জানান, তিস্তার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুড়িগ্রামের-৩ (উলিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহি জানান, উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের মাঝিপাড়া এলাকায় তিস্তার ভাঙনের বিষয় আপনার মাধ্যমে অবগত হলাম। ভাঙন এলাকায় লোক পাঠিয়ে দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

হামার বাড়ি তিস্তা নিয়া যাচ্ছে, হামাক বাঁচান’-উলিপুরে ভাঙনে আতঙ্কে ৫ পরিবার,

আপডেট সময় : ০১:০৬:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

হামার বাড়ি তিস্তা নদীত ভাঙি যায় বাহে বাঁচান এ ভাবে আকুতি করেছিলেন কুড়িগ্রামের উলিপুরে থেতরাই ইউনিয়নের হোকডাঙ্গা মাঝিপাড়া এলাকার বিধবা এক নারী জসদা রানী (৭০)।

তিস্তার ভাঙনে বসতভিটার অর্ধেক জমি নদীগর্ভে গেলেও বাকি অর্ধেক জায়গায় পরিবার সহ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তিনি। তার পরিবারে কর্মক্ষম একমাত্র সন্তান জেলে সুশান্ত চন্দ্র দাস। নদীতে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে যা আয় হয় তা দিয়ে চালান সংসার। তার এ ভিটাটুকু নদী গর্ভে গেলে নিঃস্ব হয়ে পথে বসে যেতে হবে।

এছাড়া সেখানে থাকা ৪ থেকে ৫টি বাড়ি ঝুঁকিতে রয়েছে। তারা অভিযোগ করে বলেন, গত দেড় মাস আগে তিস্তার ভাঙ্গন রোধে বাড়িভিটা রক্ষায় কুড়িগ্রাম পাউবো থেকে কিছু জিও ব্যাগ অপরিকল্পিত ভাবে বাড়ির সামনে ফেলানো হয়েছিল। যা তিস্তার তীব্র স্রোতে সেখান থেকে সরিয়ে অন্যত্রে চলে গেছে। নিচ থেকে পাইলিং করে পাড় বেঁধে দিলে এরকম ঘটনা ঘটত না। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষেরা নদীর নিচ থেকে উপরে পাড় পর্যন্ত পাইলিং করে বেঁধে দেয়ার জোর দাবী জানান।

জানা যায়, উপজেলার বজরা, গুনাইগাছ, থেতরাই ও দলদলিয়া ইউনিয়ন তিস্তা নদী দ্বারা বেষ্টিত। এসব ইউনিয়নের তিস্তা নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা গুলোর মধ্যে পশ্চিম বজরা, চর বজরা, বাঁধের মাথা, উত্তর সাদুয়া দামার হাট, খামার দামার হাট নদীর পশ্চিম পাড়, সাতালস্ক, চর বজরা, সন্তোষ অভিরাম, কাজিরচক, টিটমা, গোড়াইপিয়ার, শেখেরটেক, পাকার মাথা, দড়ি কিশোর পুর, বামনপাড়া, কুমারপাড়া, ভেন্ডারপাড়া, ফকিরপাড়া, ঠুটাপাইকার, কর্পুরা, লাল মসজিদ ও অর্জুন ও রকিদেব সহ অন্যান্য এলাকা ভাঙন হিসাবে চিহ্নিত করে সরকারি ভাবে জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর কাজ করলেও অনেক এলাকায় এখনো ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে থেতরাই ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড এর মাঝিপাড়া এলাকা রয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে থেতরাই ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড এর মাঝিপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বিধবা জসদা রানীর বাড়িভিটার ৮ শতক জমির মধ্যে ৬ শতক জমি কয়েক দিনের ভাঙনে নদীগর্ভে চলে গেছে। বাকি অর্ধেক জায়গায় ছেলে, গৃহবধূ ও তাদের সন্তানদের নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। এভাবে সেখানে থাকা আরও ৪ থেকে ৫টি পরিবার আতংকে রয়েছে। জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন ঠেকানো কথা থাকলেও ওই এলাকায় গত দেড় মাস আগে অপরিকল্পিত ভাবে জিও ব্যাগ নদীতে ফেলিয়ে পাড় ভাঙনের চেষ্টা করেছিলেন কুড়িগ্রাম পাউবো।

ওই এলাকার ভুক্তভোগীরা জানান, কুড়িগ্রাম পাউবো থেকে গত দেড় মাস আগে জিও ব্যাগ নদীতে ফেলেছে কিন্তু পাইলিং করে দেয় নি। ফলে এখন নদীর তীব্র স্রোতে বস্তার নিচের মাটি সরিয়ে স্রোতের সাথে সরিয়ে যাচ্ছে। যার কারণে পাড় ভেঙে যাচ্ছে। এছাড়া গত বছর ওই এলাকায় তিস্তার ভাঙ্গনে বাস্তুহারা হয়েছেন প্রায় ১৫ থেকে ২০ টি পরিবার। তারা এখন উপায়ন্তর না পেয়ে অন্যের জমিতে ঘর উঠিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তারা দাবি করে বলেন, বসতবাড়ি রক্ষায় স্থায়ী প্রতিরোধের ব্যবস্থা করে দিলে আমরা পাড়ের মানুষজন একটু শান্তিতে থাকতে পারতাম।

হোকডাঙ্গা মাঝিপাড়া এলাকার বিধবা জসদা রানী বলেন, গত কয়েকদিনের ভাঙনে বাড়িভিটার ৮শতক জমির মধ্যে ৬ শতক জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বাকি অর্ধেক জমিতে পরিবার নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছি। আমার পরিবারে কর্মক্ষম এক মাত্র জেলে সন্তান সুশান্ত চন্দ্র দাস। সে নদীতে মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে কোনমতে জীবন বাঁচাই। সামান্য ভিটে টুকু আমাদের সম্বল। তা যদি নদীতে চলে যায় তাহলে আমি কোথায় যাবো। সবাই হামাক বাঁচান, হামার বাড়ি তিস্তা নিয়া যাচ্ছে বলে কেঁদে ফেলেন।

একই এলাকার হুমকির মুখে থাকা, বাবলু চন্দ্র দাস, পঁচা চন্দ্র দাস, গোপাল চন্দ্র দাস ও পুদিরাম চন্দ্র দাস, দুলাল চন্দ্র দাস, মমিনুল ইসলাম ও বেলাল মিয়া সহ আরও অনেক বলেন, গত কয়েকদিনের তিস্তার ভাঙনে আমরা পাড়ের মানুষজন আতংকে আছি। আমাদের এ এলাকায় ভাঙন ঠেকানোর জন্য অল্প কিছু জিও ব্যাগ অপরিকল্পিত ভাবে নদীতে ফেলেছে। পাইলিং না করে পাড় থেকে নিচে জিও ব্যাগ ফেলেছে। এখন তিস্তার তীব্র স্রোতে জিও ব্যাগ সরে গিয়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নামে মাত্র ভাঙন ঠেকানো কাজ করে যদি আমাদের বাড়িভিটা নদীতে চলে যায় আমরা কোথায় যাবো। অতি তারাতাড়ি জিও ব্যাগ দিয়ে পাইলিং করে ভাঙন ঠেকানোর জোর দাবি জানান।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, হোকডাঙ্গা মাঝিপাড়া এলাকায় তিস্তার ভাঙনের বিষয়ে আমি অবগত আছি। সেখানে আমাদের লোকজন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন। ওই এলাকা ভাঙন রোধে ৬ হাজার জিও ব্যাগের জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ এলেই পাইলিং করে ভাঙন রোধের ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ,টি,এম আরিফ জানান, তিস্তার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুড়িগ্রামের-৩ (উলিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহি জানান, উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের মাঝিপাড়া এলাকায় তিস্তার ভাঙনের বিষয় আপনার মাধ্যমে অবগত হলাম। ভাঙন এলাকায় লোক পাঠিয়ে দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।