ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে ৪০ বছরের মুয়া‌জ্জি‌নি শে‌ষে ঘোড়ার গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন শুক্কুর আলী

টানা ৪০ বছর মসজিদের মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করেছেন মো. শুক্কুর আলী (৭০)। তবে বয়সের ভারে তা‌কে এখন সেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিতে হয়েছে। দীর্ঘদিনের দায়িত্ব পালন শেষে তাকে বিদায় জানাতে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেন মসজিদের মুসল্লি ও এলাকাবাসী। ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে তাকে বিদায় দেওয়া হয়।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় জামে মসজিদের মুসল্লিরা এ আয়োজন করেন।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) জুমার নামাজের পর মসজিদ প্রাঙ্গণে তার বিদায় অনুষ্ঠান হয়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ঘোড়ার গাড়িতে বসিয়ে তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী।
মুয়া‌জ্জিন শুক্কুর আলীর বাড়ি গুনাইগাছ ইউনিয়নের রামদাস ধনিরাম খেওয়ার পাড় এলাকায়।

মসজিদের মুসল্লি রিপন মিয়া বলেন, শুক্কুর আলী খুব সাদাসিধে মানুষ। তিনি ফজর থেকে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান দিতেন। পাশাপাশি ইমামের অনুপস্থিতিতে নামাজও পড়াতেন।

স্থানীয়রা জানান, সাধারণত কাউকে বিদায় জানানোর ক্ষেত্রে প্রচলিত যানবাহন ব্যবহার করা হয়। তবে দীর্ঘদিনের মুয়াজ্জিনকে ঘোড়ার গাড়িতে করে বিদায় জানানোর বিষয়টি ছিল ব্যতিক্রমী।

মসজিদ কমিটির সভাপতি শামীম আখতার আমীন বলেন, বার্ধক্য চলে আসায় শুক্কুর আলী স্বেচ্ছায় অবসর নিতে চেয়েছেন। তাই তাকে সম্মান জানিয়ে ঘোড়ার গাড়িতে করে বিদায় জানানো হয়েছে। তিনি খুব ভালো মানুষ ছিলেন। বিদায় অনুষ্ঠানে তাকে নগদ অর্থসহ বিভিন্ন উপহার দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

কুড়িগ্রামে ৪০ বছরের মুয়া‌জ্জি‌নি শে‌ষে ঘোড়ার গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন শুক্কুর আলী

আপডেট সময় : ০২:০৯:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

টানা ৪০ বছর মসজিদের মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করেছেন মো. শুক্কুর আলী (৭০)। তবে বয়সের ভারে তা‌কে এখন সেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিতে হয়েছে। দীর্ঘদিনের দায়িত্ব পালন শেষে তাকে বিদায় জানাতে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেন মসজিদের মুসল্লি ও এলাকাবাসী। ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে তাকে বিদায় দেওয়া হয়।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় জামে মসজিদের মুসল্লিরা এ আয়োজন করেন।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) জুমার নামাজের পর মসজিদ প্রাঙ্গণে তার বিদায় অনুষ্ঠান হয়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ঘোড়ার গাড়িতে বসিয়ে তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী।
মুয়া‌জ্জিন শুক্কুর আলীর বাড়ি গুনাইগাছ ইউনিয়নের রামদাস ধনিরাম খেওয়ার পাড় এলাকায়।

মসজিদের মুসল্লি রিপন মিয়া বলেন, শুক্কুর আলী খুব সাদাসিধে মানুষ। তিনি ফজর থেকে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান দিতেন। পাশাপাশি ইমামের অনুপস্থিতিতে নামাজও পড়াতেন।

স্থানীয়রা জানান, সাধারণত কাউকে বিদায় জানানোর ক্ষেত্রে প্রচলিত যানবাহন ব্যবহার করা হয়। তবে দীর্ঘদিনের মুয়াজ্জিনকে ঘোড়ার গাড়িতে করে বিদায় জানানোর বিষয়টি ছিল ব্যতিক্রমী।

মসজিদ কমিটির সভাপতি শামীম আখতার আমীন বলেন, বার্ধক্য চলে আসায় শুক্কুর আলী স্বেচ্ছায় অবসর নিতে চেয়েছেন। তাই তাকে সম্মান জানিয়ে ঘোড়ার গাড়িতে করে বিদায় জানানো হয়েছে। তিনি খুব ভালো মানুষ ছিলেন। বিদায় অনুষ্ঠানে তাকে নগদ অর্থসহ বিভিন্ন উপহার দেওয়া হয়েছে।