ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে সুতার কারখানায় আশ্রয়, কালীগঞ্জে যুবককে ছুরি নিয়ে ধাওয়ার অভিযোগ

 

 

গাজীপুরের কালীগঞ্জে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করার অভিযোগ উঠেছে। প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে একটি সুতার কারখানায় আশ্রয় নিয়ে রক্ষা পান আব্দুল্লাহ নামে ওই যুবক। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় প্রাণভয়ে বাইরে বেরিয়ে দৌড় শুরু করেন আব্দুল্লাহ। এ সময় এক ব্যক্তি ধারালো ছুরি হাতে তাকে ধাওয়া করে বলে অভিযোগ রয়েছে। জীবন বাঁচাতে দৌড়াতে দৌড়াতে তিনি গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসংলগ্ন একটি সুতার কারখানায় ঢুকে পড়েন।

কারখানার শ্রমিকদের কাছে নিজের বিপদের কথা জানালে তারা মানবিকতার পরিচয় দিয়ে তাকে নিরাপদে আশ্রয় দেন। পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

খবর পেয়ে আব্দুল্লাহর বড় ভাই কয়েকজন আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয়ভাবে তার প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

আব্দুল্লাহর দাবি, পরে তিনি জানতে পারেন যে তাকে গাজীপুর চৌরাস্তার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসংলগ্ন ওই কারখানা থেকেই উদ্ধার করা হয়েছিল।

এ ঘটনার পর থেকে আব্দুল্লাহ ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ভবিষ্যতেও তাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত, কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না—সব দিক খতিয়ে দেখা হবে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের ঘটনায় আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত পুলিশকে জানানো উচিত। সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা পরিস্থিতি চোখে পড়লে নিজেরা ঝুঁকি না নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়ার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার প্রতিটি দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে সুতার কারখানায় আশ্রয়, কালীগঞ্জে যুবককে ছুরি নিয়ে ধাওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

 

 

গাজীপুরের কালীগঞ্জে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করার অভিযোগ উঠেছে। প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে একটি সুতার কারখানায় আশ্রয় নিয়ে রক্ষা পান আব্দুল্লাহ নামে ওই যুবক। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় প্রাণভয়ে বাইরে বেরিয়ে দৌড় শুরু করেন আব্দুল্লাহ। এ সময় এক ব্যক্তি ধারালো ছুরি হাতে তাকে ধাওয়া করে বলে অভিযোগ রয়েছে। জীবন বাঁচাতে দৌড়াতে দৌড়াতে তিনি গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসংলগ্ন একটি সুতার কারখানায় ঢুকে পড়েন।

কারখানার শ্রমিকদের কাছে নিজের বিপদের কথা জানালে তারা মানবিকতার পরিচয় দিয়ে তাকে নিরাপদে আশ্রয় দেন। পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

খবর পেয়ে আব্দুল্লাহর বড় ভাই কয়েকজন আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয়ভাবে তার প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

আব্দুল্লাহর দাবি, পরে তিনি জানতে পারেন যে তাকে গাজীপুর চৌরাস্তার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসংলগ্ন ওই কারখানা থেকেই উদ্ধার করা হয়েছিল।

এ ঘটনার পর থেকে আব্দুল্লাহ ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ভবিষ্যতেও তাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত, কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না—সব দিক খতিয়ে দেখা হবে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের ঘটনায় আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত পুলিশকে জানানো উচিত। সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা পরিস্থিতি চোখে পড়লে নিজেরা ঝুঁকি না নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়ার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার প্রতিটি দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।