ঢাকা, ২৭ আগস্ট ২০২৬: বিনা দরপত্রে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রি এবং এতে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা ক্ষতির অভিযোগে দায়ের করা ১৫টি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় দেন।
অভিযোগ কী ছিল
দুদকের দায়ের করা মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, রাজধানীর ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি রাজউকের সাজানো দরপত্রে কারচুপি ও দুর্নীতির মাধ্যমে পছন্দের ব্যক্তিদের পাইয়ে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে প্রকারান্তরে আসামিরা লাভবান হন এবং সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।
এ অভিযোগে মির্জা আব্বাসসহ মোট ২১ জনকে আসামি করে পৃথক ১৫টি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর মধ্যে মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনকে প্রতিটি মামলায় আসামি করা হয়।
মামলার অন্য আসামিরা
মামলাগুলোতে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে আসামি ছিলেন এস এম জাফর উল্লাহ, মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, গোলাম নবী, কাজী রিয়াজুল মনির, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সাদেক, হুমায়ন খান, মীর মোশাররফ হোসেন, ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী ও মো. শহীদ আলম।
এ ছাড়া আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও আহমেদ আকবর সোবহানকে দুটি করে মামলায় এবং মেহেদী হাসান, শফিকুর রহমান কিরন, নুরুচ্ছাফা, মো. শুকুর মিয়া, হাসনা আহমেদ ও আলী হায়দার চৌধুরীকে পৃথক মামলায় আসামি করা হয়। আদালতের রায়ে তারাও খালাস পেয়েছেন।
মামলার পটভূমি
২০০৭ সালের ২৯ মার্চ দুদক এসব মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার মামলাগুলোর রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে মির্জা আব্বাসসহ সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।




















