ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে নিহত-১ এক অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার

 

 

গত ২৪/০৮/২৬ ইংরেজি তারিখ বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে সাইফুল ইসলাম (৩৫) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। একই দিনে উপজেলার বাইশারীতে ২১৫ পিস ইয়াবা ও ১০ পুরিয়া গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। অপরদিকে ঘুমধুম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে ৩৪ বিজিবি।

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে জানা গেছে, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে সাইফুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় স্হানীয় জনতা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়। সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পুঁতে রাখা মাইন থেকে বিস্ফোরণটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

১১ বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণের ঘটনাটি তাদের নজরে এসেছে। ঘটনাটি নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২১৫ পিস ইয়াবা, ১০ পুরিয়া গাঁজা এবং মাদক বিক্রির ৪ হাজার ৯৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাইশারী বাজারের মাদক ব্যবসায়ী রুহুল আমিনকে আটক করা হয়।

বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মহোদয় জানান, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ইয়াবা, গাঁজা ও মাদক বিক্রির টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

অন্যদিকে ঘুমধুম সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে মালিকবিহীন ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৩৪ বিজিবি জানায়, সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবাগুলো পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসা ও পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণ এবং পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগের পাশাপাশি মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদারের দাবি উঠেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে নিহত-১ এক অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

 

 

গত ২৪/০৮/২৬ ইংরেজি তারিখ বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে সাইফুল ইসলাম (৩৫) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। একই দিনে উপজেলার বাইশারীতে ২১৫ পিস ইয়াবা ও ১০ পুরিয়া গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। অপরদিকে ঘুমধুম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে ৩৪ বিজিবি।

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে জানা গেছে, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে সাইফুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় স্হানীয় জনতা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়। সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পুঁতে রাখা মাইন থেকে বিস্ফোরণটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

১১ বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণের ঘটনাটি তাদের নজরে এসেছে। ঘটনাটি নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২১৫ পিস ইয়াবা, ১০ পুরিয়া গাঁজা এবং মাদক বিক্রির ৪ হাজার ৯৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাইশারী বাজারের মাদক ব্যবসায়ী রুহুল আমিনকে আটক করা হয়।

বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মহোদয় জানান, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ইয়াবা, গাঁজা ও মাদক বিক্রির টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

অন্যদিকে ঘুমধুম সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে মালিকবিহীন ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৩৪ বিজিবি জানায়, সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবাগুলো পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসা ও পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণ এবং পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগের পাশাপাশি মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদারের দাবি উঠেছে।