ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মন্ত্রী হলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা বোমাং সার্কেলের রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরি

বান্দরবান ৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি পার্বত্য জেলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ
মন্ত্রী পদমর্যাদায় মন্ত্রীপরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন।ইতোপূর্বে পার্বত্য জেলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন রাঙ্গামাটি ২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য দিপেন দেওয়ান।তিনি বিগত ১ জুন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলে এই তিন পার্বত্য জেলায় চলতে থাকে নেতৃত্বের টানাপোড়েন।বিশ্বাস অবিশ্বাসের দোলাচালে সংসদ সদস্য দিপেন দেওয়ানের পদত্যাগ নিয়ে চলে নানান কথা আর গুঞ্জন।রাঙ্গামাটি জেলা শহরে দিপেন দেওয়ানের অনুসারীরা বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচিও পালন করেছেন।কিন্তু,পদত্যাগের আসল রহস্য আজও জানা সম্ভব হয়নি।বাংলাদেশের অধিকাংশ ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী এ তিন জেলাতে তাদের বসবাস হলেও পাশাপাশি মুসলমান,হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রীস্টান ও নানা সম্প্রদায়ের মানুষ সুদীর্ঘকাল ধরে এই তিন পার্বত্য জেলায় বসবাস করে আসছে সম্পীতির এক অপূর্ব মেল বন্ধনের সাথে।কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে একটা গোষ্ঠী নানা অপতৎপরতা বছরের পর বছর চালিয়ে যাচ্ছে এই অঞ্চলের স্থিতিশীল পরিবেশ বিনষ্ট করতে।এ অপচেষ্টা কেবল তাদের হীন স্বার্থ চারিতার্থ করার প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এক নীল নকশা বলে অনেকে ধারনা পোষণ করেন।এখানে যারা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে বিশ্বাস করে না তারাই এই অপতৎপরতায় লিপ্ত বলে বিশ্বাস করেন পাহাড়ের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী।জাতীয়তাবাদে যারা বিশ্বাসী তারা পাহাড়ের অস্থিরতাকে মোটেই অনুমোদন করে না বরং তারা শান্তিতে বিশ্বাসী। পার্বত্য জেলাবাসীরা এবার এমন একজন ব্যাক্তিকে মন্ত্রী পেয়েছে যিনি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের পূর্ণ বিশ্বাসী।এখন পার্বত্য জেলাবাসীর একটাই প্রত্যাশা,এই পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে যাতে কেউ যেন আর পাহাড়কে অস্থির করে তুলতে না পারে।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভুমি এই পার্বত্য জেলা আমাদের সকলের।এখানে রয়েছে এক অপার সম্ভাবনা।এ অঞ্চলের শান্তি ও সম্প্রীতির বন্ধন নিশ্চিত করা গেলেই খুলে যাবে পর্যটন শিল্লের অপার সম্ভাবনার নতুন দ্বার।গড়ে উঠবে নতুন নতুন পর্যটন শিল্প আর এখান থেকে আসবে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা সাথে এলাকার মানুষের জীবন মান হবে উন্নত

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

মন্ত্রী হলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা বোমাং সার্কেলের রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরি

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

বান্দরবান ৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি পার্বত্য জেলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ
মন্ত্রী পদমর্যাদায় মন্ত্রীপরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন।ইতোপূর্বে পার্বত্য জেলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন রাঙ্গামাটি ২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য দিপেন দেওয়ান।তিনি বিগত ১ জুন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলে এই তিন পার্বত্য জেলায় চলতে থাকে নেতৃত্বের টানাপোড়েন।বিশ্বাস অবিশ্বাসের দোলাচালে সংসদ সদস্য দিপেন দেওয়ানের পদত্যাগ নিয়ে চলে নানান কথা আর গুঞ্জন।রাঙ্গামাটি জেলা শহরে দিপেন দেওয়ানের অনুসারীরা বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচিও পালন করেছেন।কিন্তু,পদত্যাগের আসল রহস্য আজও জানা সম্ভব হয়নি।বাংলাদেশের অধিকাংশ ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী এ তিন জেলাতে তাদের বসবাস হলেও পাশাপাশি মুসলমান,হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রীস্টান ও নানা সম্প্রদায়ের মানুষ সুদীর্ঘকাল ধরে এই তিন পার্বত্য জেলায় বসবাস করে আসছে সম্পীতির এক অপূর্ব মেল বন্ধনের সাথে।কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে একটা গোষ্ঠী নানা অপতৎপরতা বছরের পর বছর চালিয়ে যাচ্ছে এই অঞ্চলের স্থিতিশীল পরিবেশ বিনষ্ট করতে।এ অপচেষ্টা কেবল তাদের হীন স্বার্থ চারিতার্থ করার প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এক নীল নকশা বলে অনেকে ধারনা পোষণ করেন।এখানে যারা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে বিশ্বাস করে না তারাই এই অপতৎপরতায় লিপ্ত বলে বিশ্বাস করেন পাহাড়ের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী।জাতীয়তাবাদে যারা বিশ্বাসী তারা পাহাড়ের অস্থিরতাকে মোটেই অনুমোদন করে না বরং তারা শান্তিতে বিশ্বাসী। পার্বত্য জেলাবাসীরা এবার এমন একজন ব্যাক্তিকে মন্ত্রী পেয়েছে যিনি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের পূর্ণ বিশ্বাসী।এখন পার্বত্য জেলাবাসীর একটাই প্রত্যাশা,এই পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে যাতে কেউ যেন আর পাহাড়কে অস্থির করে তুলতে না পারে।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভুমি এই পার্বত্য জেলা আমাদের সকলের।এখানে রয়েছে এক অপার সম্ভাবনা।এ অঞ্চলের শান্তি ও সম্প্রীতির বন্ধন নিশ্চিত করা গেলেই খুলে যাবে পর্যটন শিল্লের অপার সম্ভাবনার নতুন দ্বার।গড়ে উঠবে নতুন নতুন পর্যটন শিল্প আর এখান থেকে আসবে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা সাথে এলাকার মানুষের জীবন মান হবে উন্নত