ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাশের হারে শীর্ষে ধামইরহাট বালিকা বিদ্যালয়

 

 

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ৪ টি বালিকা বিদ্যালয়ের মধ্যে ধামইরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে।

এবারের পরীক্ষায় ৪৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪৬ জন অংশগ্রহণ করে ৩৫ জন উত্তীর্ণ হন এবং বিদ্যালয়টির ০২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ (A+) পান যেখানে পাশের হার ৭৬.০৯ হওয়ায়, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।

অপরদিকে বাকি তিনটি স্কুলের মধ্যে শহীদ আব্দুল জব্বার মঙ্গলবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৬৭ জন শিক্ষার্থী এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৬৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৮ জন, জিপিএ – ৫ পেয়েছেন ০৬ জন, অনুত্তীর্ণ ১৯ জন এবং পাশের হার ৭২.৭৩ ।

আগ্রাদ্বিগুন বালিকা বিদ্যালয়ের ৪০ জন শিক্ষার্থী এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৩৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৩ জন, জিপিএ – ৫ পেয়েছেন ০০ জন, অনুত্তীর্ণ ১৭ জন এবং পাশের হার ৬০.৫৩

পূর্ব তাহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ১৬ জন শিক্ষার্থী এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ১৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ১২ জন, জিপিএ – ৫ পেয়েছেন ০০ জন, অনুত্তীর্ণ ০৪ জন এবং পাশের হার ৬৮.৭৫ ।

ধামইরহাট বালিকা বিদ্যালয়ের এ সাফল্যের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়টি ধামইরহাট উপজেলা পর্যায়ে প্রায় বারবার প্রথম স্থান অর্জনের গৌরব ধরে রেখেছে। ধারাবাহিকভাবে ভালো ফলাফল করে বিদ্যালয়টি উপজেলার শিক্ষাক্ষেত্রে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

বিদ্যালয়ের এমন সাফল্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করছেন, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়, অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং বিদ্যালয়ের সুন্দর শিক্ষাবান্ধব পরিবেশের কারণেই এ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।

এদিকে, ধামইরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এ অর্জনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

বিদ্যালয়ের এই ধারাবাহিক সাফল্যের সাথে রয়েছে নানান প্রতিবন্ধকতা, বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি অরক্ষিত থাকায় বিভিন্ন মানুষ চলাচল করায় শিক্ষার্থীদের ক্লাসচলাকালীন সময়ে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে, এছাড়াও উপজেলায় কোন সরকারি বালিকা বিদ্যালয় না থাকায় এই স্কুলটি জাতীয়করণ করলে শিক্ষার মানোন্নয়ন ঘটবে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

পাশের হারে শীর্ষে ধামইরহাট বালিকা বিদ্যালয়

আপডেট সময় : ০৬:০৬:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

 

 

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ৪ টি বালিকা বিদ্যালয়ের মধ্যে ধামইরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে।

এবারের পরীক্ষায় ৪৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪৬ জন অংশগ্রহণ করে ৩৫ জন উত্তীর্ণ হন এবং বিদ্যালয়টির ০২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ (A+) পান যেখানে পাশের হার ৭৬.০৯ হওয়ায়, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।

অপরদিকে বাকি তিনটি স্কুলের মধ্যে শহীদ আব্দুল জব্বার মঙ্গলবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৬৭ জন শিক্ষার্থী এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৬৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৮ জন, জিপিএ – ৫ পেয়েছেন ০৬ জন, অনুত্তীর্ণ ১৯ জন এবং পাশের হার ৭২.৭৩ ।

আগ্রাদ্বিগুন বালিকা বিদ্যালয়ের ৪০ জন শিক্ষার্থী এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৩৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৩ জন, জিপিএ – ৫ পেয়েছেন ০০ জন, অনুত্তীর্ণ ১৭ জন এবং পাশের হার ৬০.৫৩

পূর্ব তাহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ১৬ জন শিক্ষার্থী এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ১৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ১২ জন, জিপিএ – ৫ পেয়েছেন ০০ জন, অনুত্তীর্ণ ০৪ জন এবং পাশের হার ৬৮.৭৫ ।

ধামইরহাট বালিকা বিদ্যালয়ের এ সাফল্যের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়টি ধামইরহাট উপজেলা পর্যায়ে প্রায় বারবার প্রথম স্থান অর্জনের গৌরব ধরে রেখেছে। ধারাবাহিকভাবে ভালো ফলাফল করে বিদ্যালয়টি উপজেলার শিক্ষাক্ষেত্রে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

বিদ্যালয়ের এমন সাফল্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করছেন, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়, অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং বিদ্যালয়ের সুন্দর শিক্ষাবান্ধব পরিবেশের কারণেই এ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।

এদিকে, ধামইরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এ অর্জনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

বিদ্যালয়ের এই ধারাবাহিক সাফল্যের সাথে রয়েছে নানান প্রতিবন্ধকতা, বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি অরক্ষিত থাকায় বিভিন্ন মানুষ চলাচল করায় শিক্ষার্থীদের ক্লাসচলাকালীন সময়ে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে, এছাড়াও উপজেলায় কোন সরকারি বালিকা বিদ্যালয় না থাকায় এই স্কুলটি জাতীয়করণ করলে শিক্ষার মানোন্নয়ন ঘটবে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।