ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসন্ন স্থানীয় নির্বাচন: কর্মধায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় জামায়াত নেতা মাওলানা মারুফ আহমদ

 

: ​আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কর্মধা ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ। ইতোমধ্যে একাধিক প্রার্থী মাঠে নামলেও স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন রবিরবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কর্মধা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা মারুফ আহমদ।

​দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগেই তাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই তিনি মাঠে-ময়দানে জোর প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, মতবিনিময় সভা ও জানাজায় তার নিয়মিত উপস্থিতি সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছে। তৃণমূলের ভোটারদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রেখে তিনি প্রচারণায় বেশ এগিয়ে রয়েছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

​রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কর্মধা ইউনিয়ন ঐতিহ্যগতভাবেই জামায়াতের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিগত নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের (বিএনপি) প্রার্থীকে হারিয়ে এই ইউনিয়নে সাফল্য পেয়েছিল জামায়াত। সেই রাজনৈতিক সমীকরণ ও ঐতিহ্যকে এবারও নিজেদের পক্ষে কাজে লাগাতে মরিয়া দলটির নেতাকর্মীরা।

​স্থানীয় ভোটারদের মতে, এবারের নির্বাচনে বেশ কয়েকজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জনপ্রিয়তায় মাওলানা মারুফ আহমদ শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তবে ভোটের মাঠে এই দুর্গ ও অতীত সাফল্যকে তিনি কতটা কাজে লাগিয়ে বিজয়ের মুখ দেখতে পারেন, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

আসন্ন স্থানীয় নির্বাচন: কর্মধায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় জামায়াত নেতা মাওলানা মারুফ আহমদ

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

 

: ​আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কর্মধা ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ। ইতোমধ্যে একাধিক প্রার্থী মাঠে নামলেও স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন রবিরবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কর্মধা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা মারুফ আহমদ।

​দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগেই তাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই তিনি মাঠে-ময়দানে জোর প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, মতবিনিময় সভা ও জানাজায় তার নিয়মিত উপস্থিতি সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছে। তৃণমূলের ভোটারদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রেখে তিনি প্রচারণায় বেশ এগিয়ে রয়েছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

​রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কর্মধা ইউনিয়ন ঐতিহ্যগতভাবেই জামায়াতের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিগত নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের (বিএনপি) প্রার্থীকে হারিয়ে এই ইউনিয়নে সাফল্য পেয়েছিল জামায়াত। সেই রাজনৈতিক সমীকরণ ও ঐতিহ্যকে এবারও নিজেদের পক্ষে কাজে লাগাতে মরিয়া দলটির নেতাকর্মীরা।

​স্থানীয় ভোটারদের মতে, এবারের নির্বাচনে বেশ কয়েকজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জনপ্রিয়তায় মাওলানা মারুফ আহমদ শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তবে ভোটের মাঠে এই দুর্গ ও অতীত সাফল্যকে তিনি কতটা কাজে লাগিয়ে বিজয়ের মুখ দেখতে পারেন, এখন সেটাই দেখার বিষয়।