ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউএনও অফিসে ইউএনও সাহেব না থাকলেও নেতারা সেখানে সবসময় সশরীরে উপস্থিত থাকেন’

 

 

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম ওবায়দুল।

তিনি বলেন, “ইউএনও অফিসে ইউএনও সাহেব না থাকলেও নেতারা সেখানে সবসময় সশরীরে উপস্থিত থাকেন।”

এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে রাজনৈতিক নেতাদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে নিজের অসন্তোষের বিষয়টি তুলে ধরেছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তার এই মন্তব্যে সরকারি প্রশাসনিক কার্যালয়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের উপস্থিতি ও এর প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি রাজনৈতিক ব্যক্তিদের দৃশ্যমান উপস্থিতি কতটা স্বাভাবিক—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও নানা ধরনের আলোচনা রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় মূলত সরকারি প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সাধারণ মানুষের সেবা প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। সেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের যাতায়াত থাকলেও রাজনৈতিক নেতাদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে কোনো অভিযোগ বা প্রশ্ন উঠলে বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকে।

তবে এইচ এম ওবায়দুল তাঁর বক্তব্যে এর বাইরে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল—ইউএনও কার্যালয়ে ইউএনও উপস্থিত না থাকলেও নেতাদের নিয়মিত সশরীরে উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিয়ে তাঁর ক্ষোভ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ইউএনও অফিসে ইউএনও সাহেব না থাকলেও নেতারা সেখানে সবসময় সশরীরে উপস্থিত থাকেন’

আপডেট সময় : ০১:৫০:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

 

 

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম ওবায়দুল।

তিনি বলেন, “ইউএনও অফিসে ইউএনও সাহেব না থাকলেও নেতারা সেখানে সবসময় সশরীরে উপস্থিত থাকেন।”

এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে রাজনৈতিক নেতাদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে নিজের অসন্তোষের বিষয়টি তুলে ধরেছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তার এই মন্তব্যে সরকারি প্রশাসনিক কার্যালয়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের উপস্থিতি ও এর প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি রাজনৈতিক ব্যক্তিদের দৃশ্যমান উপস্থিতি কতটা স্বাভাবিক—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও নানা ধরনের আলোচনা রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় মূলত সরকারি প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সাধারণ মানুষের সেবা প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। সেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের যাতায়াত থাকলেও রাজনৈতিক নেতাদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে কোনো অভিযোগ বা প্রশ্ন উঠলে বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকে।

তবে এইচ এম ওবায়দুল তাঁর বক্তব্যে এর বাইরে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল—ইউএনও কার্যালয়ে ইউএনও উপস্থিত না থাকলেও নেতাদের নিয়মিত সশরীরে উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিয়ে তাঁর ক্ষোভ।