নবীগঞ্জে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজনের দ্বারা যৌতুক ও নির্যাতনের স্বীকার গৃহবধু নাজমুন নাহার (২৬), চরম বিপাকে পরে নিজে বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখিত আসামীরা হলো, নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের হালিতলা গ্রামের মোঃ চাঁন মিয়ার পুত্র মোঃ নবী আলী (৩০), মোঃ সুমন মিয়া (২৫), সুমনা বেগন (২৭), ও মোঃ চাঁন মিয়ার স্ত্রী মোছাঃ আফিয়া বেগম (৫০) কে আসামী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল (১৭ আগষ্ট) সোমবার দুপুরে এ অভিযোগ দায়ের করা হয়। মোঃ নবী আলীর সাথে অনুমান আড়াই বছর পূর্বে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক নিকাহনামা মূলে আমার বিবাহ হয়। বিবাহের পর আমার গর্ভে আসামী মোঃ নবী আলীর ঔরষে মোঃ নাদিম আহমেদ তুহিন (১ বছর) এর বাচ্চা জন্মগ্রহণ করে। প্রায়ই আসামী মোঃ নবী আলী অপরাপর আসামীদের কথায় যৌতুকের দাবীতে আমাকে মারপিট করে জখম করিত। আসামীরা যৌতুকের দাবীতে অত্যাচার করিয়া আমাকে অনুমান ০১ বছর পূর্বে আমার সন্তান সহকারে আমার পিত্রালয়ে পাঠিয়ে দেয়। ঐ সময় আমার স্বামী মোঃ নবী আলী আমাকে হুমকী দিয়া বলে আমার পিতার বাড়ী থেকে যৌতুক হিসাবে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা না নিয়া গেলে, আমাকে নিয়ে সংসার করবে না এমনকি বেশী যৌতুক নিয়া অন্যত্র বিবাহ করবে বলে হুমকী দেয়। অনুমান ১৫ দিন পূর্বে আমার স্বামী মোঃ নবী আলী অপরাপর বিবাদীদের কথায় আমাকে কিছু না জানাইয়া ২য় বিবাহ করে। আমি সংবাদ পেয়ে উল্লেখিত সাক্ষীদেরকে সাথে নিয়ে বিবাদীদের বাড়ীতে যাইয়া আমার স্বামী মোঃ নবী আলীকে আমার সন্তান রাখিয়া এবং আমাকে কোন ভরণপোষন না দিয়ে এবং আমার অনুমতি ব্যতিত ২য় বিবাহ করার কারন জিজ্ঞাসাবাদ করি। আমার স্বামী মোঃ নবী আলী অপরাপর বিবাদীদের কথায় উত্তেজিত হয়ে আমাকে গালি-গালাজসহ প্রানে মারার হুমকী দিয়ে বাড়ী থেকে বাহির করে দেয়। পরে আমি বাধ্য হয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। এব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আবুল হোসেন, অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নবীগঞ্জ প্রতিনিধি :- 



















