মাতারবাড়ী ও মহেশখালী এলাকার এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটির কারণে ১২ আগস্ট রাত ১০টা থেকে শেরপুরে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এতে জেলার প্রায় ৪ হাজার আবাসিক ও ২২টি বাণিজ্যিক গ্রাহক চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
গ্যাস না থাকায় অনেক বাসাবাড়িতে রান্না বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকে বাধ্য হয়ে লাকড়ির চুলা, সিলিন্ডার গ্যাস অথবা হোটেলের খাবারের ওপর নির্ভর করছেন। গ্যাসের সংকটে শেরপুরের একমাত্র সিএনজি স্টেশনও বন্ধ থাকায় পরিবহন ব্যবস্থাতেও প্রভাব পড়েছে।
শেরপুর সরকারি কলেজের আবাসিক শিক্ষার্থীরাও সমস্যায় পড়েছেন। সিলিন্ডার গ্যাসের খরচ বেড়ে যাওয়ায় হোস্টেলে আপাতত তিন বেলার পরিবর্তে দুই বেলা রান্না করা হচ্ছে।
তিতাস গ্যাসের শেরপুর জেলার ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. বদরুজ্জামান জানিয়েছেন, এলএনজি টার্মিনালের সমস্যার কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও ৫–৭ দিন সময় লাগতে পারে।
মোঃ মোক্তার হোসাইন মুক্তা স্টাফ রিপোটার 



















