ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নড়াগাতীতে তীব্র লোডশেডিং ও বাড়তি বিলের চাপে দিশেহারা জনজীবন

 

নড়াইলের ​নড়াগাতী থানার বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গরমে ঘনঘন লোডশেডিং এবং এর পাশাপাশি চড়া বিদ্যুৎ বিলের চাপে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। তীব্র তাপদাহের মধ্যে অবিরাম বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে এই এলাকার জনজীবন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষা কার্যক্রম।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নড়াগাতী ও এর আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দিনের বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না, আর রাতের বেলাও পরিস্থিতি প্রায় একই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক ও রোগীরা।

​ব্যাহত ব্যবসা-বাণিজ্য ও উৎপাদন

​বিদ্যুতের এই লুকোচুরি খেলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। আইসিটি সেবা, ডেকোরেটর, পার্লার, ওয়ার্কশপ এবং ক্ষুদ্র শিল্প কারখানাগুলোর উৎপাদন ও কার্যক্রম প্রায় থমকে গেছে। জেনারেটর বা বিকল্প ব্যবস্থার খরচ চালাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

​বাড়তি বিলের বোঝা

​গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ অনিয়মিত হলেও মাস শেষে ঠিকই আসছে ভৌতিক ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল। লোডশেডিংয়ের কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন যখন নাজেহাল, তখন এই অতিরিক্ত বিলের চাপ মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে।

​এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং অযৌক্তিক বিলের হয়রানি বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

নড়াগাতীতে তীব্র লোডশেডিং ও বাড়তি বিলের চাপে দিশেহারা জনজীবন

আপডেট সময় : ১১:৪৯:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

 

নড়াইলের ​নড়াগাতী থানার বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গরমে ঘনঘন লোডশেডিং এবং এর পাশাপাশি চড়া বিদ্যুৎ বিলের চাপে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। তীব্র তাপদাহের মধ্যে অবিরাম বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে এই এলাকার জনজীবন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষা কার্যক্রম।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নড়াগাতী ও এর আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দিনের বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না, আর রাতের বেলাও পরিস্থিতি প্রায় একই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক ও রোগীরা।

​ব্যাহত ব্যবসা-বাণিজ্য ও উৎপাদন

​বিদ্যুতের এই লুকোচুরি খেলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। আইসিটি সেবা, ডেকোরেটর, পার্লার, ওয়ার্কশপ এবং ক্ষুদ্র শিল্প কারখানাগুলোর উৎপাদন ও কার্যক্রম প্রায় থমকে গেছে। জেনারেটর বা বিকল্প ব্যবস্থার খরচ চালাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

​বাড়তি বিলের বোঝা

​গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ অনিয়মিত হলেও মাস শেষে ঠিকই আসছে ভৌতিক ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল। লোডশেডিংয়ের কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন যখন নাজেহাল, তখন এই অতিরিক্ত বিলের চাপ মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে।

​এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং অযৌক্তিক বিলের হয়রানি বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।