ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেধা-পরিশ্রমে সাফল্যের শিখরে খাদিজাতুল কোবরা, ১২০১ নম্বর পেয়ে পত্নীতলায় প্রথম

 

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ১২০১ নম্বর পেয়ে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করেছে ৫ নাম্বার মাটিন্দর ইউনিয়নের বামইল উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী খাতিজাতুল কুবরা। তবে এই অসাধারণ সাফল্যে বিদ্যালয়, পরিবার ও এলাকাজুড়ে বইছে আনন্দের জোয়ার। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের সুনাম আরও উজ্জ্বল করেছে সে।

খাদিজাতুল কোবরার সাফল্যের পিছনে রয়েছে নিয়মিত পড়াশুনা, কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবস্যায় এবং বিদ্যালয় শিক্ষকদের নিবিড় দিকনির্দেশনা ও পর্যবেক্ষণ। পাশাপাশি বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণা সাহস ও পরিবারের সর্বোচ্চ সার্বিক সহযোগিতাও তার সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

১২ আগস্ট ২০২৬ বুধবার দুপুর ১২:০০ টায়, সরজমিনে বামইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বেলাল হোসেন “দৈনিক বাংলার সংবাদ ” কে বলেন, “খাদিজাতুল কোবরা আমাদের বিদ্যালয় অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। সে প্রতিদিন নিয়মিত স্কুলে এসে ক্লাস করত এবং পড়াশোনাতে কোন প্রকারের তার গাবলাতি ছিলনা।নিয়মিত পড়াশুনা, শিক্ষকদের নির্দেশনা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার সমন্বয়েই সে এই অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।” তিনি আরও বলেন, খাদিজার এই অর্জন বিদ্যালয় অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফল করার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম দৈনিক বাংলার সংবাদ ” কে বলেন, “খাতিজাতুল কোবরার এই সাফল্য শুধু তার পরিবারের নয়, পুরো বিদ্যালয় ও পত্নীতলা উপজেলার জন্য গর্বের বিষয়। তার এ অর্জনে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং পরিচালনা কমিটির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষার পরিবেশ আরো উন্নত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। ”

নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খাতিজাতুল কোবরা “দৈনিক বাংলার সংবাদ ” কে জানায়, “ভবিষ্যতে আমি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে একজন দক্ষ প্রকৌশলী হতে চাই। ভালোভাবে পড়াশোনা করে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং নিজেকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোই আমার অন্যতম লক্ষ্য। ”

মেয়ের এই সাফল্যে বাবা-মায়ের আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছেন। খাতিজাতুল কোবরার বাবা-মা বলেন, খাদিজা ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী।আমরা সব সময় তাকে পড়াশোনায় উৎসাহ দিয়েছি এবং ভবিষ্যতেও তার স্বপ্ন পূরণে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। আমাদের প্রত্যাশা, সে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে একজন ভালো মানুষ ও যোগ্য পেশাজেবী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে এবং দেশ ও মানুষের সেবা করবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, খাদিজাতুল কোবরার এমন কৃতিত্বে অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। সে আমাদের এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছে। তার এ সাফল্য এলাকার অন্য শিক্ষার্থীদেরও মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে ভালো ফলাফল করতে অনুপ্রেরণা যোগাবে। আমরা তার ভবিষ্যৎ সাফল্য ও সুন্দর জীবন কামনা করি (আমিন)।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

মেধা-পরিশ্রমে সাফল্যের শিখরে খাদিজাতুল কোবরা, ১২০১ নম্বর পেয়ে পত্নীতলায় প্রথম

আপডেট সময় : ১০:০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

 

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ১২০১ নম্বর পেয়ে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করেছে ৫ নাম্বার মাটিন্দর ইউনিয়নের বামইল উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী খাতিজাতুল কুবরা। তবে এই অসাধারণ সাফল্যে বিদ্যালয়, পরিবার ও এলাকাজুড়ে বইছে আনন্দের জোয়ার। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের সুনাম আরও উজ্জ্বল করেছে সে।

খাদিজাতুল কোবরার সাফল্যের পিছনে রয়েছে নিয়মিত পড়াশুনা, কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবস্যায় এবং বিদ্যালয় শিক্ষকদের নিবিড় দিকনির্দেশনা ও পর্যবেক্ষণ। পাশাপাশি বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণা সাহস ও পরিবারের সর্বোচ্চ সার্বিক সহযোগিতাও তার সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

১২ আগস্ট ২০২৬ বুধবার দুপুর ১২:০০ টায়, সরজমিনে বামইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বেলাল হোসেন “দৈনিক বাংলার সংবাদ ” কে বলেন, “খাদিজাতুল কোবরা আমাদের বিদ্যালয় অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। সে প্রতিদিন নিয়মিত স্কুলে এসে ক্লাস করত এবং পড়াশোনাতে কোন প্রকারের তার গাবলাতি ছিলনা।নিয়মিত পড়াশুনা, শিক্ষকদের নির্দেশনা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার সমন্বয়েই সে এই অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।” তিনি আরও বলেন, খাদিজার এই অর্জন বিদ্যালয় অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফল করার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম দৈনিক বাংলার সংবাদ ” কে বলেন, “খাতিজাতুল কোবরার এই সাফল্য শুধু তার পরিবারের নয়, পুরো বিদ্যালয় ও পত্নীতলা উপজেলার জন্য গর্বের বিষয়। তার এ অর্জনে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং পরিচালনা কমিটির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষার পরিবেশ আরো উন্নত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। ”

নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে খাতিজাতুল কোবরা “দৈনিক বাংলার সংবাদ ” কে জানায়, “ভবিষ্যতে আমি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে একজন দক্ষ প্রকৌশলী হতে চাই। ভালোভাবে পড়াশোনা করে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং নিজেকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোই আমার অন্যতম লক্ষ্য। ”

মেয়ের এই সাফল্যে বাবা-মায়ের আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছেন। খাতিজাতুল কোবরার বাবা-মা বলেন, খাদিজা ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী।আমরা সব সময় তাকে পড়াশোনায় উৎসাহ দিয়েছি এবং ভবিষ্যতেও তার স্বপ্ন পূরণে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। আমাদের প্রত্যাশা, সে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে একজন ভালো মানুষ ও যোগ্য পেশাজেবী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে এবং দেশ ও মানুষের সেবা করবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, খাদিজাতুল কোবরার এমন কৃতিত্বে অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। সে আমাদের এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছে। তার এ সাফল্য এলাকার অন্য শিক্ষার্থীদেরও মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে ভালো ফলাফল করতে অনুপ্রেরণা যোগাবে। আমরা তার ভবিষ্যৎ সাফল্য ও সুন্দর জীবন কামনা করি (আমিন)।”