ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরের পুবাইলে লোডশেডিং এর রাজত্ব, ২৪ ঘণ্টায় ১৬ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ নেই, ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা।

গাজীপুর পূবাইলে তীব্র গরমের মধ্যে চরম লোডশেডিং এর কবলে পড়েছে গাজীপুরের পুবাইল, মীরের বাজার, ও তার আশে পাশে এলাকা। গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর পুবাইল জোনাল অফিস এর আওতাধীন এই এলাকাগুলোতে দিনে-রাতে মিলিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
মীরের বাজারে অবস্থিত পুবাইল জোনাল অফিস এর সামনেই প্রতিদিন সকাল থেকে অভিযোগের লাইন।

জনজীবন বিপর্যস্ত
1. হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আইপিএস-জেনারেটরের উপর নির্ভরশীল হতে হচ্ছে। শিশু ও বয়স্ক রোগীরা গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
2. পরীক্ষার্থীরা রাত জেগে পড়তে পারছে না। অনলাইন ক্লাস, অনলাইন পরীক্ষা সব বন্ধ।

৩. মীরের বাজারের দোকান, ওয়ার্কশপ, মিল-ফ্যাক্টরিতে উৎপাদন বন্ধ। ফ্রিজের খাবার নষ্ট হওয়ায় লাখ টাকার লোকসান। জেনারেটরের তেলের দামে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা।

ভুক্তভোগীরা বলেন, বিল ঠিকই ৩ গুণ আসে। কিন্তু কারেন্ট থাকে না। পল্লী বিদ্যুতের অফিসে গেলে বলে ‘লোড নাই’। আমরা যাবো কই?

এ বিষয়ে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, পুবাইল জোনাল অফিস এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার ৫০% বিদ্যুৎও পাচ্ছি না। তাই বাধ্য হয়ে এলাকা ভাগ করে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।”

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, একই সময়ে শিল্প এলাকায় বিদ্যুৎ দিয়ে আবাসিকে শুধু লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে। এটা বৈষম্য।

৫ দফা দাবি
ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা অবিলম্বে লোডশেডিং এর রুটিন প্রকাশ, আবাসিক-শিল্পে সমান বন্টন এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় তারা বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

তীব্র গরম আর লোডশেডিং এ পুবাইলবাসীর জীবন এখন অতিষ্ঠ। কর্তৃপক্ষ কবে এই দুর্ভোগ লাঘব করবে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

গাজীপুরের পুবাইলে লোডশেডিং এর রাজত্ব, ২৪ ঘণ্টায় ১৬ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ নেই, ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা।

আপডেট সময় : ০৯:১৪:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

গাজীপুর পূবাইলে তীব্র গরমের মধ্যে চরম লোডশেডিং এর কবলে পড়েছে গাজীপুরের পুবাইল, মীরের বাজার, ও তার আশে পাশে এলাকা। গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর পুবাইল জোনাল অফিস এর আওতাধীন এই এলাকাগুলোতে দিনে-রাতে মিলিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
মীরের বাজারে অবস্থিত পুবাইল জোনাল অফিস এর সামনেই প্রতিদিন সকাল থেকে অভিযোগের লাইন।

জনজীবন বিপর্যস্ত
1. হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আইপিএস-জেনারেটরের উপর নির্ভরশীল হতে হচ্ছে। শিশু ও বয়স্ক রোগীরা গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
2. পরীক্ষার্থীরা রাত জেগে পড়তে পারছে না। অনলাইন ক্লাস, অনলাইন পরীক্ষা সব বন্ধ।

৩. মীরের বাজারের দোকান, ওয়ার্কশপ, মিল-ফ্যাক্টরিতে উৎপাদন বন্ধ। ফ্রিজের খাবার নষ্ট হওয়ায় লাখ টাকার লোকসান। জেনারেটরের তেলের দামে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা।

ভুক্তভোগীরা বলেন, বিল ঠিকই ৩ গুণ আসে। কিন্তু কারেন্ট থাকে না। পল্লী বিদ্যুতের অফিসে গেলে বলে ‘লোড নাই’। আমরা যাবো কই?

এ বিষয়ে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, পুবাইল জোনাল অফিস এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার ৫০% বিদ্যুৎও পাচ্ছি না। তাই বাধ্য হয়ে এলাকা ভাগ করে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।”

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, একই সময়ে শিল্প এলাকায় বিদ্যুৎ দিয়ে আবাসিকে শুধু লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে। এটা বৈষম্য।

৫ দফা দাবি
ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা অবিলম্বে লোডশেডিং এর রুটিন প্রকাশ, আবাসিক-শিল্পে সমান বন্টন এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় তারা বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

তীব্র গরম আর লোডশেডিং এ পুবাইলবাসীর জীবন এখন অতিষ্ঠ। কর্তৃপক্ষ কবে এই দুর্ভোগ লাঘব করবে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।