পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার হরিনপালা গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ইসমাইল শরীফ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ি থেকে আহত করে ও দুর্বল অবস্থায় ইসমাইল শরীফকে ঘটনাস্থলে এনে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
ঘটনার সঙ্গে নিহতের ছেলে মোঃ রাসেল শরীফ ও তাঁর স্ত্রী জড়িত থাকতে পারেন—এমন সন্দেহকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। ইতোমধ্যে নিহতের স্ত্রী ও ছেলে রাসেল শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মরদেহ উদ্ধারের সময় ইসমাইল শরীফের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ও রক্তের দাগ পাওয়া যায়। এছাড়া তাঁর দুই হাত বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে হাতাহাতি ও ঘর্ষণের চিহ্নও পাওয়া গেছে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে র্যাবের একটি দল। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা ঘটনাটির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছেন।
সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তদন্তে পাওয়া তথ্য ও আলামত যাচাই করা হচ্ছে। ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হলে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, ঘটনার সঠিক সময় ও কীভাবে ইসমাইল শরীফকে ঘটনাস্থলে নেওয়া হয়েছিল—এসব বিষয় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
মোঃ সিফাতুল্লাহ ভান্ডারিয়া উপজেলা প্রতিনিধি দৈনিক বাংলা সংবাদ 



















