ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অশ্রুসিক্ত বিদায়—আর নেই সাংবাদিক জিন্নাত আরা জেমিন

 

 

গভীর শোক, বেদনা ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি—দৈনিক জনবাণী পত্রিকার প্রতিনিধি ও উত্তরবঙ্গের সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার, প্রতিশ্রুতিশীল নারী সাংবাদিক জিন্নাত আরা জেমিন আর আমাদের মাঝে নেই।
দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে জীবন-মৃত্যুর কঠিন লড়াই শেষে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন।
তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

জিন্নাত আরা জেমিন ছিলেন কুড়িগ্রামের একজন সম্ভাবনাময় ও সাহসী নারী সাংবাদিক। অল্প সময়ের সাংবাদিকতা জীবনে তিনি তাঁর নিষ্ঠা, সাহস, দায়িত্বশীলতা, সততা ও পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখে গেছেন। সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনে তাঁর আন্তরিকতা, মানুষের সুখ-দুঃখ ও অধিকারবঞ্চনার কথা তুলে ধরার অদম্য আগ্রহ তাঁকে সহকর্মী, পাঠক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে স্বতন্ত্র মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছিল।

আজ তিনি নেই—
কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া কর্ম, স্মৃতি ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার গল্প রয়ে যাবে আমাদের মাঝে।
একজন সহকর্মীর চলে যাওয়া শুধু একটি শূন্যতা নয়; এটি একটি পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি, সাংবাদিক সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক শূন্যস্থান এবং অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে এক গভীর হাহাকার।

গত ৮ আগস্ট, শনিবার, বাদ জোহর কুড়িগ্রাম শহরতলীর সর্দারপাড়ায় তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
পরে বাদ আসর কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের সরকারপাড়া কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে

দৈনিক বাংলার সংবাদ এর পক্ষ থেকে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি।
আমরা মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানাই আন্তরিক ও গভীর সমবেদনা।
মহান আল্লাহ যেন তাঁর পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করেন।

হে আল্লাহ, আমাদের প্রিয় সহকর্মী জিন্নাত আরা জেমিনের জীবনের সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দিন।
তাঁর কবরকে নূরে ভরে দিন, কবরের আজাব মাফ করে দিন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন।
মৃত্যু মানুষকে আমাদের কাছ থেকে দূরে নিয়ে যায়,
কিন্তু কিছু মানুষ তাঁদের কর্ম ও স্মৃতির মধ্য দিয়ে থেকে যান আজীবন।

জিন্নাত আরা জেমিনও তেমনি একজন—যাঁর চলে যাওয়া আমাদের হৃদয়ে রেখে গেল এক গভীর শূন্যতা, এক না-পাওয়া বেদনা।

সবাই মরহুমার রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবেন।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

অশ্রুসিক্ত বিদায়—আর নেই সাংবাদিক জিন্নাত আরা জেমিন

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

 

 

গভীর শোক, বেদনা ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি—দৈনিক জনবাণী পত্রিকার প্রতিনিধি ও উত্তরবঙ্গের সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার, প্রতিশ্রুতিশীল নারী সাংবাদিক জিন্নাত আরা জেমিন আর আমাদের মাঝে নেই।
দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে জীবন-মৃত্যুর কঠিন লড়াই শেষে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন।
তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

জিন্নাত আরা জেমিন ছিলেন কুড়িগ্রামের একজন সম্ভাবনাময় ও সাহসী নারী সাংবাদিক। অল্প সময়ের সাংবাদিকতা জীবনে তিনি তাঁর নিষ্ঠা, সাহস, দায়িত্বশীলতা, সততা ও পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখে গেছেন। সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনে তাঁর আন্তরিকতা, মানুষের সুখ-দুঃখ ও অধিকারবঞ্চনার কথা তুলে ধরার অদম্য আগ্রহ তাঁকে সহকর্মী, পাঠক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে স্বতন্ত্র মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছিল।

আজ তিনি নেই—
কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া কর্ম, স্মৃতি ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার গল্প রয়ে যাবে আমাদের মাঝে।
একজন সহকর্মীর চলে যাওয়া শুধু একটি শূন্যতা নয়; এটি একটি পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি, সাংবাদিক সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক শূন্যস্থান এবং অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে এক গভীর হাহাকার।

গত ৮ আগস্ট, শনিবার, বাদ জোহর কুড়িগ্রাম শহরতলীর সর্দারপাড়ায় তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
পরে বাদ আসর কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের সরকারপাড়া কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে

দৈনিক বাংলার সংবাদ এর পক্ষ থেকে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি।
আমরা মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানাই আন্তরিক ও গভীর সমবেদনা।
মহান আল্লাহ যেন তাঁর পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করেন।

হে আল্লাহ, আমাদের প্রিয় সহকর্মী জিন্নাত আরা জেমিনের জীবনের সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দিন।
তাঁর কবরকে নূরে ভরে দিন, কবরের আজাব মাফ করে দিন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন।
মৃত্যু মানুষকে আমাদের কাছ থেকে দূরে নিয়ে যায়,
কিন্তু কিছু মানুষ তাঁদের কর্ম ও স্মৃতির মধ্য দিয়ে থেকে যান আজীবন।

জিন্নাত আরা জেমিনও তেমনি একজন—যাঁর চলে যাওয়া আমাদের হৃদয়ে রেখে গেল এক গভীর শূন্যতা, এক না-পাওয়া বেদনা।

সবাই মরহুমার রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবেন।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।