ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালপুরে নববধূর মরদেহ উদ্ধার স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ

 

 

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে হওয়া মোনিয়া মুন্নি (২৩) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিয়ের প্রায় তিন মাসের মাথায় এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত মোনিয়া মুন্নি ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া ভূঁইয়াবাড়ির মঞ্জু মিয়ার মেয়ে এবং একই গ্রামের জিহাদ ভূঁইয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ের দাবিতে মুন্নি প্রেমিক জিহাদ ভূঁইয়ার বাড়িতে টানা পাঁচ দিন অনশন করেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় গত ৩০ এপ্রিল ৯ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের আগেই ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ এবং মেয়ের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মুন্নির মা রিনা বেগম হেমনগর তদন্ত কেন্দ্রে একটি লিখিত অভিযোগ করেছিলেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্ন সময়ে মুন্নির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন।

স্থানীয়দের দাবি, বুধবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্বামী জিহাদ ভূঁইয়াসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তারা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

*উল্লেখ্য, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হয়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্ত শেষে বিষয়টি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।*

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

গোপালপুরে নববধূর মরদেহ উদ্ধার স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

 

 

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে হওয়া মোনিয়া মুন্নি (২৩) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিয়ের প্রায় তিন মাসের মাথায় এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত মোনিয়া মুন্নি ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া ভূঁইয়াবাড়ির মঞ্জু মিয়ার মেয়ে এবং একই গ্রামের জিহাদ ভূঁইয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ের দাবিতে মুন্নি প্রেমিক জিহাদ ভূঁইয়ার বাড়িতে টানা পাঁচ দিন অনশন করেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় গত ৩০ এপ্রিল ৯ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের আগেই ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ এবং মেয়ের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মুন্নির মা রিনা বেগম হেমনগর তদন্ত কেন্দ্রে একটি লিখিত অভিযোগ করেছিলেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্ন সময়ে মুন্নির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন।

স্থানীয়দের দাবি, বুধবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্বামী জিহাদ ভূঁইয়াসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তারা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

*উল্লেখ্য, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হয়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্ত শেষে বিষয়টি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।*