ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে ১১ দলের গণমিছিল-সমাবেশ গণভোটের গণরায় কার্যকর ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সোচ্চার নেতারা

৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে গণভোটের গণরায় কার্যকর এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে কুড়িগ্রামে ১১ দলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে জেলা শহরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলা আমির অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে বিকেলে কুড়িগ্রাম কলেজ মোড় থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা “গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে”, “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে”—সহ বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দেন।
পরে শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত পথসভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলার সাবেক জেলা আমির মাওলানা আব্দুল মতিন ফারুকী, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নিজাম উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের জেলা সহ-সভাপতি মো. সবের রহমান, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, জেলা শ্রমিক কল্যাণের সভাপতি অ্যাডভোকেট ইয়াছিন আলী সরকার এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি মো. মোশারফ হোসেনসহ ১১ দলের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, ৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তারা দাবি করেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং জুলাই সনদে উত্থাপিত সংস্কার ও জনকল্যাণমূলক প্রস্তাবসমূহ বাস্তবায়নে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং আইনের শাসন সুসংহত করতে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে তারা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
সমাবেশে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে কর্মসূচিটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গণমিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে ১১ দলের গণমিছিল-সমাবেশ গণভোটের গণরায় কার্যকর ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সোচ্চার নেতারা

আপডেট সময় : ০২:৫২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে গণভোটের গণরায় কার্যকর এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে কুড়িগ্রামে ১১ দলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে জেলা শহরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলা আমির অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে বিকেলে কুড়িগ্রাম কলেজ মোড় থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা “গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে”, “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে”—সহ বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দেন।
পরে শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত পথসভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলার সাবেক জেলা আমির মাওলানা আব্দুল মতিন ফারুকী, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নিজাম উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের জেলা সহ-সভাপতি মো. সবের রহমান, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, জেলা শ্রমিক কল্যাণের সভাপতি অ্যাডভোকেট ইয়াছিন আলী সরকার এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি মো. মোশারফ হোসেনসহ ১১ দলের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, ৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তারা দাবি করেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং জুলাই সনদে উত্থাপিত সংস্কার ও জনকল্যাণমূলক প্রস্তাবসমূহ বাস্তবায়নে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং আইনের শাসন সুসংহত করতে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে তারা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
সমাবেশে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে কর্মসূচিটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গণমিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।