ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগৈলঝাড়ায় এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ

 

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে একটি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের কালুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মনির আকনের একমাত্র কন্যা লিজা আক্তার (১৪)-এর সঙ্গে একই উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বেলুহার গ্রামের সৌদি প্রবাসী রাজন মীরের বিবাহের আয়োজন চলছিল। লিজা আক্তার গৈলা মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে আগৈলঝাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ আহম্মেদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিবাহটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেন।
পরে কনের চাচা মানিক আকন ও এনায়েত আকনের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়। মুচলেকায় তারা অঙ্গীকার করেন, লিজা আক্তারের আইনগত বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে তার বিয়ে দেবেন না।
এছাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্দেশ দেন, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত প্রতি রবিবার লিজা আক্তারকে নিয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হবে।
উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগে একটি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

আগৈলঝাড়ায় এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ

আপডেট সময় : ০২:২২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

 

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে একটি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের কালুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মনির আকনের একমাত্র কন্যা লিজা আক্তার (১৪)-এর সঙ্গে একই উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বেলুহার গ্রামের সৌদি প্রবাসী রাজন মীরের বিবাহের আয়োজন চলছিল। লিজা আক্তার গৈলা মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে আগৈলঝাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ আহম্মেদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিবাহটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেন।
পরে কনের চাচা মানিক আকন ও এনায়েত আকনের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়। মুচলেকায় তারা অঙ্গীকার করেন, লিজা আক্তারের আইনগত বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে তার বিয়ে দেবেন না।
এছাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্দেশ দেন, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত প্রতি রবিবার লিজা আক্তারকে নিয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হবে।
উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগে একটি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।