ঢাকা ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ত্রিশালে মাদক সেবনের দায়ে দুই যুবকের এক মাস করে কারাদণ্ড

ময়মনসিংহের ত্রিশালে মাদক সেবনের দায়ে দুই যুবককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় ত্রিশাল উপজেলা পরিষদের পাশে সুতিয়া নদীর বাঁধ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন : ত্রিশাল উপজেলার রায়মনি গ্রামের আমর আলীর ছেলে মো. সিমবাদ (২৮) এবং একই গ্রামের আরফান ফকিরের ছেলে শারফুল (৩০)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সুতিয়া নদীর বাঁধ এলাকায় ইয়াবা সেবন করে জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় উভয়কে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত সিদ্দিকী। এ সময় নদীর বাঁধ এলাকায় সন্ধ্যার পর সন্দেহজনকভাবে অবস্থানরত কয়েকজন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ত্রিশাল থানা পুলিশ এবং উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সহযোগিতা করেন।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ত্রিশালে মাদক সেবনের দায়ে দুই যুবকের এক মাস করে কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৭:০২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

ময়মনসিংহের ত্রিশালে মাদক সেবনের দায়ে দুই যুবককে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় ত্রিশাল উপজেলা পরিষদের পাশে সুতিয়া নদীর বাঁধ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন : ত্রিশাল উপজেলার রায়মনি গ্রামের আমর আলীর ছেলে মো. সিমবাদ (২৮) এবং একই গ্রামের আরফান ফকিরের ছেলে শারফুল (৩০)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সুতিয়া নদীর বাঁধ এলাকায় ইয়াবা সেবন করে জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় উভয়কে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত সিদ্দিকী। এ সময় নদীর বাঁধ এলাকায় সন্ধ্যার পর সন্দেহজনকভাবে অবস্থানরত কয়েকজন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ত্রিশাল থানা পুলিশ এবং উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সহযোগিতা করেন।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।