ঢাকা ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তাপদাহে চড়া বাজার নাভিশ্বাস পত্নীতলার নিম্ন আয়ের মানুষ

 

 

চলমান তাপপ্রবাহে ও ভ্যাপসা গরমে পত্নীতলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হাটবাজারে কাঁচা শাকসবজি, তরিতরকারি, মাছ ও মাংসের বাজারে মূল্যবৃদ্ধি সঙ্গে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত গরমে সবজির উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দামে চাপ তৈরি হয়েছে। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষের উপর।

উপজেলার কয়েকটি বড় বড় সাপ্তাহিক হাট যেমন- নজিপুর, পত্নীতলা, শিবপুর, মধুইল, বাজার গুলিতে ৪ আগস্ট ২০২৬ মঙ্গলবার সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় যে, প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় সবজি কিনতে গিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে। আয়ের সঙ্গে ব্যায় মিলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন দিনমজুর,রিকশাচালক, স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো। হাটবাজারে বাস্তব চিত্রে দেখা যাচ্ছে, অনেকেই আগের তুলনায় কম পরিমাণে বাজার করছেন।

বাজারের ক্রেতারা “দৈনিক আজকের জনবাণী “কে জানান, কয়েকদিন আগের তুলনায় বিভিন্ন সবজির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে মাছ ও গোস্তের বাজারেও স্বস্তি নেই। সংসারে খরচ সামাল দিতে গিয়ে অনেক পরিবার মাছ বা গোস্ত কেনার সামর্থ্য হারিয়ে ফেলেছে ।

অন্যদিকে বিক্রেতারা” দৈনিক আজকের জনবাণী “কে বলেন, অতিরিক্ত গরমে মাঠ থেকে সবজি সংগ্রহে অনেক সমস্যা হচ্ছে। অনেক সবজি দ্রুত নষ্ট হওয়ায় লোকসানের আশঙ্কাও বেড়েছে। এছাড়াও পরিবহন ভাড়া, শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশি দামে পণ্য আনতে হচ্ছে,যার প্রভাব খুচরা বাজারে ব্যাপকভাবে পড়েছে।

মাছ ব্যবসাদের ভাষ্য, তীব্র গরমে মাছ সংরক্ষণে অতিরিক্ত বরফের প্রয়োজন হচ্ছে। এতে খরচ বেড়ে যাওয়ায় আগের দামে মাছ বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। একইভাবে গোস্ত বিক্রেতারাও জানান, উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বাড়ার কারণে আগের দামে বিক্রি করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল” দৈনিক আজকের জনবাণী” কে বলেন, বাজারে নিয়মিত তদারকি, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি রোধে প্রশাসনের ও সংশ্লিষ্টদের নজরদারি জোরদার করা অত্যন্ত জরুরী। একই সঙ্গে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য পরিবহন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এদিকে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, বাজার পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে এবং নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে ফিরে আসবে, যাতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের পরিবারগুলোর কিছুটা হলেও স্বস্তি পায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

তাপদাহে চড়া বাজার নাভিশ্বাস পত্নীতলার নিম্ন আয়ের মানুষ

আপডেট সময় : ১২:২০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

 

 

চলমান তাপপ্রবাহে ও ভ্যাপসা গরমে পত্নীতলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হাটবাজারে কাঁচা শাকসবজি, তরিতরকারি, মাছ ও মাংসের বাজারে মূল্যবৃদ্ধি সঙ্গে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত গরমে সবজির উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দামে চাপ তৈরি হয়েছে। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষের উপর।

উপজেলার কয়েকটি বড় বড় সাপ্তাহিক হাট যেমন- নজিপুর, পত্নীতলা, শিবপুর, মধুইল, বাজার গুলিতে ৪ আগস্ট ২০২৬ মঙ্গলবার সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় যে, প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় সবজি কিনতে গিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে। আয়ের সঙ্গে ব্যায় মিলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন দিনমজুর,রিকশাচালক, স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো। হাটবাজারে বাস্তব চিত্রে দেখা যাচ্ছে, অনেকেই আগের তুলনায় কম পরিমাণে বাজার করছেন।

বাজারের ক্রেতারা “দৈনিক আজকের জনবাণী “কে জানান, কয়েকদিন আগের তুলনায় বিভিন্ন সবজির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে মাছ ও গোস্তের বাজারেও স্বস্তি নেই। সংসারে খরচ সামাল দিতে গিয়ে অনেক পরিবার মাছ বা গোস্ত কেনার সামর্থ্য হারিয়ে ফেলেছে ।

অন্যদিকে বিক্রেতারা” দৈনিক আজকের জনবাণী “কে বলেন, অতিরিক্ত গরমে মাঠ থেকে সবজি সংগ্রহে অনেক সমস্যা হচ্ছে। অনেক সবজি দ্রুত নষ্ট হওয়ায় লোকসানের আশঙ্কাও বেড়েছে। এছাড়াও পরিবহন ভাড়া, শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশি দামে পণ্য আনতে হচ্ছে,যার প্রভাব খুচরা বাজারে ব্যাপকভাবে পড়েছে।

মাছ ব্যবসাদের ভাষ্য, তীব্র গরমে মাছ সংরক্ষণে অতিরিক্ত বরফের প্রয়োজন হচ্ছে। এতে খরচ বেড়ে যাওয়ায় আগের দামে মাছ বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। একইভাবে গোস্ত বিক্রেতারাও জানান, উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বাড়ার কারণে আগের দামে বিক্রি করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল” দৈনিক আজকের জনবাণী” কে বলেন, বাজারে নিয়মিত তদারকি, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি রোধে প্রশাসনের ও সংশ্লিষ্টদের নজরদারি জোরদার করা অত্যন্ত জরুরী। একই সঙ্গে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য পরিবহন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এদিকে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, বাজার পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে এবং নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে ফিরে আসবে, যাতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের পরিবারগুলোর কিছুটা হলেও স্বস্তি পায়।