চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন,বন্যায় কৃষি ও মৎস্য খাতে হওয়া ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আবাদযোগ্য জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে।
বন্যার কারণে চাষাবাদ কিছুটা পিছিয়ে গেলেও বাড়তি পরিশ্রমের মাধ্যমে কৃষকেরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন। এ জন্য কোনো আবাদযোগ্য জমি ফেলে রাখা যাবে না।
সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে সবজির বীজ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি।
শনিবার বিকেলে উপজেলার পেলাগাজী দিঘি সংলগ্ন সিএন্ডবি মাঠে উপজেলা প্রশাসন
আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও পরিবারের সদস্যদের হাতে সহায়তা তুলে দেন জেলা প্রশাসক।
অনুষ্ঠানে ৪০ জন কৃষকের মধ্যে শসা, লাউ, চালকুমড়া, কলমি ও বেগুনের বীজ বিতরণ করা হয়। এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৭০টি পরিবারের প্রত্যেককে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার ভোজ্যতেল, ১ কেজি লবণ এবং ২৫০ গ্রাম করে হলুদ, মরিচসহ প্রয়োজনীয় মসলা দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, বন্যার কারণে কৃষি উৎপাদনে সাময়িক ধাক্কা এলেও দ্রুত চাষাবাদ শুরু করতে পারলে সেই ক্ষতি অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এজন্য কৃষকদের হাতে সময়োপযোগী বীজ ও কৃষি উপকরণ তুলে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, এক ইঞ্চি আবাদযোগ্য জমিও ফেলে রাখা যাবে না। ফসল, শাকসবজি কিংবা ফুল- যা-ই হোক, প্রতিটি জমি চাষের আওতায় আনতে হবে। বাড়তি পরিশ্রম করলে বন্যার ক্ষতি অনেকটাই পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. জুনায়েত কাউছার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মো. তারেক আজিজ।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গ্রাম পুলিশ, উপকারভোগী কৃষক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিটি জমি চাষাবাদের আওতায় আনতে হবে, জেলা প্রশাসক
-
নুরুল আবছার নূরী - আপডেট সময় : ০১:২৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
- 26
জনপ্রিয় সংবাদ




















