ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজিতপুর-ভাগলপুর প্রধান সড়ক বেহাল: যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

বাজিতপুর-ভাগলপুর প্রধান সড়কের দেওয়ানবাড়ী মসজিদের সামনের ভাঙাচোরা অংশ এখন এলাকাবাসীর কাছে এক আতঙ্কের নাম। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও ভাঙনের সৃষ্টি হলেও সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহনের চালক।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে কোথায় রাস্তা আর কোথায় গভীর গর্ত—তা বোঝা যায় না। এতে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহন প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স এবং সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী সংস্কারের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রতিদিনই বাড়ছে জনদুর্ভোগ। বিশেষ করে রোগী, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষকে চরম কষ্ট নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। যে কোনো সময় একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত সড়কটি সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, আর কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

বাজিতপুর-ভাগলপুর প্রধান সড়ক বেহাল: যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

বাজিতপুর-ভাগলপুর প্রধান সড়কের দেওয়ানবাড়ী মসজিদের সামনের ভাঙাচোরা অংশ এখন এলাকাবাসীর কাছে এক আতঙ্কের নাম। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও ভাঙনের সৃষ্টি হলেও সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহনের চালক।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে কোথায় রাস্তা আর কোথায় গভীর গর্ত—তা বোঝা যায় না। এতে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহন প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স এবং সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী সংস্কারের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রতিদিনই বাড়ছে জনদুর্ভোগ। বিশেষ করে রোগী, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষকে চরম কষ্ট নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। যে কোনো সময় একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত সড়কটি সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, আর কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।